ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায় জানুন

আপনি কি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায় জানতে চাচ্ছন? ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক আমারা সবাই চায়। কিন্তু অনেকেই এ জন্য কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম বা দামী প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি, যা ত্বকের ক্ষতি করে। আসলে ত্বক সুন্দর রাখতে খুব জটিল কিছু করার দরকার নেই। 
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়-জানুন
আমাদের ঘরেই এমন অনেক প্রাকৃতিক জিনিস আছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার, নরম ও উজ্জ্বল রাখা যাই। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই এই ঘরোয়া উপায়গুলো দিয়ে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।

পেজ সূচিপত্রঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায় ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখতে চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতি আপনার জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। কেননা ঘরোয়া, ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলে আপনার ত্বক স্বাভাবিকভাবেই সতেজ ও প্রাণবন্ত হয়। আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখার জন্য ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল। তাজা অ্যালোভেরা জেল পরিষ্কার মুখে সরাসরি লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। ১৫–২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন অথবা রাতে লাগিয়ে রেখে দিলে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।

আপনি চাইলে মধু ও লেবুর রসও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মধুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পরিষ্কার মুখে হালকা করে লাগিয়ে রাখুন। এবং ১০–১৫ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এতে করে আপনার ত্বক উজ্জ্বলতা বাড়বে। আবার ত্বকে কাঁচা দুধও ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা দুধ তুলোর সাথে নিয়ে পরিষ্কার মুখে আলতো করে লাগান এবং ১০–১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এতে আপনার ত্বক নরম ও উজ্জ্বল দেখাবে।

ত্বকের রঙ কালো হওয়ার কারণ

অনেক মানুষেরই ত্বক ধীরে ধীরে কালচে হয়ে যায়। এটি নারী-পুরুষ সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। আমাদের দৈনন্দিন কিছু ভুল কারণেই মূলত এই সমস্যার দেখা দেয়। ত্বকের ঠিকমতো যত্ন না নেওয়া, রোদে বেশি থাকা বা আরো নানা করণে ত্বক নষ্ট হয়ে যাই। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না কেন ত্বক আগের মতো উজ্জ্বল নেই। আসলে ত্বকের রঙ কালো হওয়ার কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে। এই কারণগুলো জানা থাকলে সহজেই ঘরোয়া যত্ন নেওয়া সম্ভব। তাই আগে কারণগুলো জানা খুব জরুরি।

আপনি যদি বেশি সময় রোদে থাকেন, তাহলে ত্বক সহজেই কালো হয়ে যেতে পারে। আপনি যদি নিয়মিত মুখ পরিষ্কার না করেন, তাহলে ধুলো ও ময়লা জমে ত্বক মলিন হয়ে যাই। আপনি যদি ত্বকের ধরন না বুঝে যেকোনো ক্রিম ব্যবহার করেন, তাহলে ত্বকের রঙ নষ্ট হতে পারে। আপনি যদি মুখে বেশি হাত দেন বা ঘন ঘন খোঁচান, তাহলে ত্বকের ক্ষতি হয়। শরীরে ভিটামিনের অভাব হলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে না। তাই আজই সচেতন হোন, এবং ভুল অভ্যাসগুলো বাদ দিন, আর ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর রাখুন।

ত্বকে কাচাঁ হলুদ লাগিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখা অনেকেরই স্বপ্ন। বাজারের কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে ঘরোয়া উপায়েও খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। তাই ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ফর্সা করা সবচেয়ে নিরাপদ। আমাদের দেশের প্রচলিত উপায়গুলোর মধ্যে হলুদ খুবই জনপ্রিয়। প্রাচীনকাল থেকেই অনেক মানুষ হলুদ ব্যবহার করে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখে। হলুদ ব্যবহার করা খুব সহজ, এবং এর জন্য আলাদা কোনো জটিল উপকরণ দরকার হয় না। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক স্বাভাবিকভাবে ফর্সা ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এখন চলুন জেনে নিই, কীভাবে সহজভাবে হলুদ লাগিয়ে ত্বক ফর্সা করা যায়।
কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক উপায়। প্রথমে একটি ছোট কাঁচা হলুদের টুকরা নিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। এরপরে ছোট কাঁচা হলুদ টুকরাটি বেটে পেস্ট বানান। চাইলে এতে দই, মেশাতে পারেন। এরপরে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে পেস্টটি হালকা করে লাগান। চোখ ও ঠোঁটের চারপাশে লাগবেন না। প্রায় ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হতে পারে এবং অতিরিক্ত সময় ধরে লাগিয়ে রাখবেন না। বেশি সময় থাকলে ত্বকে হলুদ দাগ বসতে পারে।

নিম পাতার পেস্ট দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

আপনি কি চান, ত্বক ফর্সা, উজ্জ্বল ও দাগমুক্ত হোক? ঘরোয়া উপায়ে এর জন্য নিম পাতার পেস্ট খুবই কার্যকর। কয়েকটি তাজা নিম পাতা ধুয়ে বেটে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর পেস্ট মুখ, ঘাড় ও হাতের ত্বকে লাগান। প্রায় ১৫-২০ মিনিট রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের কালচে ভাব কমে, ত্বক নরম ও মসৃণ হয়। আপনি চাইলে নিম পতার সাথে হলুদ মিশিয়ে ব্যবহার করকে পারেন। সপ্তাহে ৩-৪ বার ব্যবহার করলেই ত্বক প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল হয়।
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়-জানুন
নিম পাতার পেস্ট ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। আপনি সকালে বা রাতে ত্বক পরিষ্কার করার পরে সামান্য নিম পেস্ট মুখে লাগান, এতে করে ত্বক সতেজ এবং নরম হয়। এটি ত্বকের কালি দূর করতে সাহায্য করে এবং দাগ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক ধীরে ধীরে ফর্সা হয়। নিম পাতার পেস্ট ব্যবহারের পরে হালকা সূর্যরশ্মি থেকে দূরে থাকুন। পেস্টটি সারা মুখে ও ঘাড়ে আঙুলের সাহায্যে লাগাতে হবে। চোখের আশেপাশে লাগানো যাবে না। প্রাকৃতিকভাবে ত্বক ফর্সা করতে এটি নিরাপদ উপকরণ ।

ব্রণ ও দাগের কারণে ত্বক কালো হওয়া

ব্রণ বা মুখের দাগ ত্বককে কালো বা মলিন দেখাতে পারে। অনেকেই ভাবেন শুধু ক্রিম বা প্রডাক্ট ব্যবহার করলেই ফর্সা হওয়া যায়। কিন্তু আসলেই ত্বকের যত্ন কার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রণ কমানো, দাগ পরিষ্কার রাখা এবং ত্বক ভিজিয়ে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বেশি সময় সূর্যের আলোতে থাকলে ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে। তাই সূর্যের তাপে অনেকক্ষণ থাকা ঠিক না। নিয়মিত চেহারার পরিচর্যা করলে ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়।খাওয়া-দাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ।

দাগ ও ব্রণ কমানোর জন্য ঘরের উপায় খুব কার্যকর। যেমন: হলুদ, শসা, লেবু, বা নিমপাতা ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হয়। ব্রণ হলে নিয়মিত মুখ ধোয়া দরকার। কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিমের বদলে ঘরোয়া উপায় নিরাপদ আপনার জন্য নিরাপদ হতে পারে। ত্বক ফর্সা রাখতে আমাদের বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। বেশি সময় মোবাইল বা কম্পিউটারের সামনে থাকলেও ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই নিয়ন্ত্রণে মধ্যে থাকা উচিত। এভাবে নিয়মিত যত্ন নিলে দাগ কমে এবং আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর দেখাবে।

 তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আলাদা টিপস

আমাদের ত্বকের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। অনেকের তৈলাক্ত ত্বক আবার অনকের শুষ্ক ত্বক। যারা ফর্সা ত্বক পেতে চায়, তাদের জন্য সঠিক পদ্ধতি মেনে চলা খুব প্রয়োজন। ভুল যত্ন করলে ত্বক উজ্জ্বল হওয়ার বদলে খারাপ হয়ে যেতে পারে। আবার দেখা যাই অনেকই আছে ভুল পণ্য ব্যবহার করে, এতে করে ত্বক উজ্জ্বল হওয়ার পরিবর্তে আরো সমস্যা বাড়ায়। তাই আমাদের জানতে হবে কোন ত্বকের জন্য কী ধরনের যত্ন দরকার। এখন আমরা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আলাদা টিপস জানবো।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের মুখ অনেক সময় ঝাপসা বা চকচকে লাগে। এমন ত্বক ফর্সা দেখাতে চাইলে প্রথমেই মুখ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে শুধু ফেসওয়াশ ব্যবহার করাই ভালো। অতিরিক্ত তেল কমাতে মাঝে মাঝে টোনার লাগাতে পারেন। কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিমের বদলে হালকা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বকও ঠিক থাকে, ফর্সা দেখায়। এবং সূর্যের আলো থেকে রক্ষা পেতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। তেল-মিষ্টি বা ফাস্ট ফুড কম খেলে ত্বক বেশি সুন্দর দেখায়।

ঘরোয়া প্রক্রিয়ায় ত্বককে নরম ও ফর্সা রাখার উপায়

আমরা সবাই চাই আমাদের ত্বক নরম, পরিষ্কার আর ফর্সা থাকুক। কিন্তু বাজারের কেমিক্যালযুক্ত প্রডাক্ট ব্যবহার করলে অনেক সময় ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। প্রতিদিন ঠিকমতো মুখ পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান করলে ত্বক ভেতর থেকে ভালো থাকে। দুধ, মধু, হলুদ, নিমপাতার মতো প্রাকৃতিক জিনিস ত্বকের জন্য উপকারী। এগুলো ব্যবহার করলে ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়। নিয়মিত যত্ন নিলে ত্বক নরম ও সতেজ থাকে। এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

ত্বক ফর্সা রাখতে হলে কিছু ভালো অভ্যাস দরকার। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম ত্বকের জন্য খুব দরকার। রোদে বের হলে মুখ ঢেকে রাখা উচিত। বেশি তেল-ঝাল খাবার খাওয়া কমাতে হবে। ফল আর শাকসবজি বেশি খেলে ত্বক ভালো থাকে। সপ্তাহে ২-৩ দিন ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে মুখ পরিষ্কার থাকে। এতে ধীরে ধীরে ত্বকের মলিন ভাব কমে যায়। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো করলে আপনার ত্বক নরম, পরিষ্কার ও ফর্সা থাকবে।

ফর্সা ত্বক ধরে রাখতে প্রতিদিন যা যা করা প্রয়োজন

ফর্সা ত্বক ধরে রাখতে হলে নিয়মিত যত্ন নেওয়া খুব দরকার। অনেকেই ভাবেন একদিন কিছু করলেই ত্বক ভালো হয়ে যাবে, কিন্তু আসলে তা নয়। প্রতিদিনের অল্প অল্প যত্নই আপনার ত্বকের রঙ ঠিক রাখে। আপনি ত্বক ঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে সহজেই কালচে হয়ে যাবে। আবার ঠিকমতো যত্ন নিলে ত্বক নিজে থেকেই উজ্জ্বল হবে। তাই ত্বককে সময় দিন। এবং প্রতিদিন অল্প অল্প ত্বকের যত্ন করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। 

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ পরিষ্কার করবেন। এবং রাতে ঘুমাইতে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করে ঘুমাবেন। রোদে বের হলে মুখ ঢেকে বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করে বের হবেন। রোদে বেশি থাকলে ত্বক দ্রুত কালো হয়, তাই সাবধান থাকতে হবে। খুব বেশি সাবান ব্যবহার করলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ঘরোয়া যত্ন যেমন অ্যালোভেরা বা গোলাপজল ব্যবহার করা যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে ঘুমাবেন।

কত দিনে ত্বকের পরিবর্তন দেখা যায়

অনেকেই জানতে চান, যত্ন নিলে আসলে কত দিনে ত্বকের পরিবর্তন দেখা যায়। ত্বকের পরিবর্তন কোনো জাদুর মতো একদিনে হয় না, এর জন্য সময় ও ধৈর্য দরকার। সাধারণত ত্বক নিজেকে নতুন করে গঠন করতে প্রায় ২৮ দিন সময় নেয়। নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং ঘুম ঠিক থাকলে ধীরে ধীরে পরিবর্তন শুরু হয়। প্রথম ৭-১০ দিনের মধ্যে ত্বক একটু ফ্রেশ ও নরম মনে হতে পারে। ব্রণ বা দাগ কমার লক্ষণও হালকা ভাবে দেখা যাবে। তবে এই সময় ত্বক পুরোপুরি ফর্সা বা দাগমুক্ত হয় না। কারণ ত্বকের গভীর স্তরে কাজ হতে সময় লাগে। তাই শুরুতেই ধৈর্য হারা হবেন না।
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়-জানুন
যখন আপনি ৩-৪ সপ্তাহ নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিবেন, তখন আসল পরিবর্তন দেখতে শুরু করবেন। এই সময় ত্বকের রঙ কিছুটা পরিষ্কার দেখাবে এবং নিস্তেজ ভাব কমে আসবে।  ১-২ মাসের মধ্যে দাগ হালকা হতে থাকে এবং ত্বকের টেক্সচার উন্নত হবে। তবে সবার ত্বক একরকম নয়, তাই ফলাফলও সবার ক্ষেত্রে এক নয়। কারও ক্ষেত্রে দ্রুত, কারও ক্ষেত্রে একটু দেরিতে পরিবর্তন আসতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত যত্ন ও ধৈর্য। হঠাৎ করে কোনো কিছু ব্যবহার করে দ্রুত ফল পাওয়ার চেষ্টা করলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। তাই সময় দিন, ত্বক নিজেই সুন্দরভাবে পরিবর্তনের জানান আপনাকে।

ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের সতর্কতা

ঘরোয়া উপাদান আমরা অনেকেই ত্বক, চুল ও শরীরের যত্নে ব্যবহার করি। এগুলো সহজে পাওয়া যায় বলে মানুষ বেশি ভরসা করে। কিন্তু প্রাকৃতিক হলেই সব সময় নিরাপদ,এটা ঠিক নয়। নিয়ম না জেনে ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে। অনেক সময় অন্যের কথা শুনে বা ভিডিও দেখে আমরা ব্যবহার শুরু করি। কিন্তু সবার ত্বক এক রকম নয়। তাই যা একজনের জন্য ভালো, তা আরেকজনের জন্য সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে মুখে ব্যবহার করলে বেশি সাবধান থাকা উচিত। ভুল ভাবে ব্যবহার করলে ত্বকে জ্বালা বা দাগ পড়তে পারে। তাই ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের আগে বুঝে নেওয়া খুব জরুরি।
ঘরোয়া কিছু ব্যবহার করার আগে অল্প জায়গায় লাগিয়ে দেখা ভালো। এতে বোঝা যাবে ত্বকে কোনো সমস্যা হয় কি না। পরিমাণ বেশি দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়,এটা ভুল ধারণা। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে। প্রতিদিন ব্যবহার করা ঠিক কি-না সেটাও বুঝে নিতে হবে। কাটা বা ক্ষত জায়গায় এসব ব্যবহার করা উচিত নয়। শিশু ও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে আরও সাবধান হতে হবে। যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। সব সময় মনে রাখবেন, বুঝে,এবং নিয়ম মেনে ব্যবহার করলেই ঘরোয়া উপাদান নিরাপদ হয়। এবং অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন।

শেষ কথাঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায় আজকাল অনেকেই চান ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল দেখাতে। কিন্তু বাজারের ক্রিম বা কেমিক্যাল সব সময় ভালো কাজ করে না। তাই অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেন। ঘরে থাকা সাধারণ জিনিস দিয়ে ত্বক নরম, মসৃণ ও সুন্দর করা যায়। যেমন লেবু, দুধ, হলুদ, মধু ইত্যাদি। এগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক ফর্সা হয় এবং দাগও কমে। ঘরোয়া উপায়ে ত্বক সুস্থ থাকে এবং কোনো ক্ষতি হয় না। ফলে ত্বক সুন্দর ও প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়। এই ছোট ছোট উপায়গুলো অনুসরণ করলে ঘরে বসেই ফর্সা হওয়া সম্ভব।

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজকের আর্টিকেলে আমরা জেনেছি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়। আশা করি তথ্যগুলো আপনার জন্য সহজে বোঝার মতো হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকে, দয়া করে কমেন্টে জানান। এছাড়া, এই তথ্যগুলো আপনার বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Talha
Md. Abu Talha
আমি ডিজিটাল ক্লিক আইটি ব্লগের এডমিন এবং একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।