স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া এখন খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। অনেক সময় আমরা না জেনেই এমন কিছু ফিচার চালু রাখি, যেগুলো চালু রাখার কারণে আমাদের স্মার্টফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়।
স্মার্টফোনে–চার্জ–ধরে–রাখাতে–বন্ধ–করুন–৫টি–ফিচার
অনেক সময় আমরা সচেতন না থাকায় এই ফিচারগুলো চালু রাখি, যার ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার এবং সেটিংসের কথা, যেগুলো বন্ধ রাখার মাধ্যমে আমরা আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে পারবো।

পেজ সূচিপত্রঃ স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার

স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার

স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার। আমরা সবাই প্রতিদিন স্মার্টফোন ব্যবহার করি। আমাদের কাজ, যোগাযোগ এবং বিনোদনের বড় একটি অংশ এখন ফোনের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু অনেক সময় আমরা লক্ষ্য করি যে ফোনের চার্জ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে আপনি আমি বিপদে পড়ি, বিশেষ করে বাইরে থাকা অবস্থায়। আসলে আমাদের ফোনে কিছু ফিচার অকারণে চালু থাকে, যা চার্জ দ্রুত কমিয়ে দেয়। আমরা অনেকেই খেয়াল করি না যে ব্যবহার না করলেও অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। এসব অ্যাপ আমাদের ইন্টারনেট ও ব্যাটারি দুটোই বেশি ব্যবহার করে।

এছাড়া আপনি যদি সবসময় ব্লুটুথ, লোকেশন, হটস্পট বা ওয়াই-ফাই চালু রাখেন, তাহলে আমাদের ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাই। প্রয়োজন না হলে এসব ফিচার বন্ধ রাখাই ভালো। আমাদের ফোনের স্ক্রিনও চার্জ বেশি খরচ করে। আমরা যদি স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বেশি রাখি বা দীর্ঘ সময় স্ক্রিন অন রাখি, তাহলে ব্যাটারির চার্জ  তাড়াতাড়ি কমে যায়। তাই ব্রাইটনেস কম রাখলে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে স্ক্রিন ব্যবহার না করলে আমাদের ফোনের চার্জ অনেকক্ষণ ধরে থাকবে।

ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার মূল কারণগুলো কী

আজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনে অনেকে গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ হোক, কাজ বা বিনোদন প্রায় সবকিছুর জন্য আমরা ফোনের ওপর নির্ভরশীল। অনেক সময় দেখা যায়, চার্জ সম্পূর্ণ থাকার পরেও ব্যাটারির চার্জ অপ্রত্যাশিতভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে আমাদের কাজ ব্যাহত হয় এবং জরুরি মুহূর্তে ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়। এই সমস্যার পিছনে কিছু সাধারণ কারণ আছে, যেগুলো জানা থাকলে আমরা সহজেই সতর্ক থাকতে পারি এবং ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারি।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্রাইটনেস, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ, এবং বারবার নোটিফিকেশন আসা। দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনাল ফোনকে বারবার সিগনাল খুঁজতে বাধ্য করে, যা ব্যাটারির ওপর চাপ ফেলে। মোবাইল ডাটা, GPS, ব্লুটুথ সবসময় অন রাখলেও চার্জ দ্রুত কমে যায়। এসব কারণে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় ফিচার বন্ধ রাখলে এবং সচেতনভাবে ফোন ব্যবহার করলে ব্যাটারির চার্জ অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।

ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই অকারণে কেন বন্ধ রাখবেন

আজকাল আমাদের জীবনে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। আমরা এগুলো দিয়ে প্রতিনিয়ত মেসেজ পাঠাই, ভিডিও দেখি, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করি এবং ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াই। কিন্তু অনেক সময় আমরা এমন কিছু ফিচার চালু রাখি যা ব্যবহার করি না, যেমন ব্লুটুথ এবং ওয়াই-ফাই। এগুলো অকারণে চালু থাকলে ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে এবং ক্রমাগত নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
অকারণে চালু থাকা ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই নিরাপত্তার জন্যও অনেক ঝুঁকি। কেউ চাইলে হ্যাক করে আপনার ফোনে থাকা সমস্ত তথ্য চুরি করতে পারে। বিশেষ করে পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এবং অনেক সময় ব্লুটুথ অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্টেড হয়ে যায়। তাই ব্যাটারি বাঁচাতে এবং ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখতে ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করা অবস্থায় বন্ধ রাখাই ভালো।

ব্রাইটনেস বেশি থাকলে চার্জ কেন দ্রুত কমে

যখন ফোনের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস খুব বেশি রাখা হয়, তখন ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। এর মূল কারণ হলো স্ক্রিনের পিক্সেলগুলো আলো তৈরি করতে বেশি শক্তি ব্যবহার করে। অর্থাৎ, স্ক্রিনে যত বেশি আলো দেখানো হবে, ফোনের ব্যাটারি তত দ্রুত খরচ হবে। শুধু স্ক্রিন নয়, ফোনের প্রসেসরও ব্রাইটনেস অনুযায়ী বেশি কাজ করে। বিশেষ করে যদি সেই সময়ে ভিডিও দেখা হয় বা গেম খেলা হয়, তাহলে প্রসেসরকে আরও দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়া করতে হয়, ফলে ব্যাটারি আরও দ্রুত খালি হয়।
স্মার্টফোনে–চার্জ–ধরে–রাখাতে–বন্ধ–করুন–৫টি–ফিচার
তাই যারা দীর্ঘ সময় ধরে ফোন ব্যবহার করতে চান বা ব্যাটারি দীর্ঘ সময় টিকে রাখতে চান, তাদের জন্য ব্রাইটনেস মাঝারি রাখা বা অটো মোড ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো। অটো ব্রাইটনেস ফোনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশ অনুযায়ী আলো ঠিক করতে সাহায্য করে, ফলে চার্জ বাঁচে এবং ফোনও বেশি গরম হয় না। বেশি ব্রাইটনেস শুধু ফোনের জন্য ক্ষতিকর না চোখের জন্যও ক্ষতিকর।

ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ কেন বন্ধ রাখবেন

আজকাল আমরা আমাদের ফোনে অনেক অ্যাপ ব্যবহার করি। কিছু অ্যাপ আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি, আবার কিছু অ্যাপ এমনও থাকে যা প্রায় ব্যবহার করি না। অনেক সময় আমরা এই অ্যাপগুলো বন্ধ না করে খোলা রাখি। কিন্তু এই অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, অর্থাৎ আমরা যখন ব্যবহার করি না, তখনও এগুলো ফোনের ব্যাটারি, ডেটা এবং মেমোরি ব্যবহার করে। ফলে ফোনের ব্যাটারি চার্জ দ্রুত শেষ হয় এবং ফোন স্লো ও হয়ে যেতে পারে।

আমরা যখন ব্যবহার না করা অ্যাপসগুলো বন্ধ রাখি, তখন ফোন অনেক দ্রুত কাজ করে এবং ঠান্ডা থাকে। এতে আমাদের ফোনের ব্যাটারির চার্জ অনেক সময় যাই এবং আমাদের বারবার চার্জে দিতে হয় না। এছাড়া ফোনের মেমোরিও খালি থাকে, ফলে নতুন অ্যাপ বা গেম সহজেই চালানো যায়, কোনো রকম স্লো বা হ্যাংয়ের সমস্যা হয় না। তাই আমাদের উচিত সচেতনভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপগুলো বন্ধ রাখা, যেন আমাদের ফোন ভালোভাবে কাজ করে এবং ফোনের চার্জ বেশি সময় থাকে।

অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন কিভাবে চার্জ নষ্ট করে

অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন আমাদের ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার একটি বড় কারণ। আজকের দিনে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করি, যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, মেসেজিং অ্যাপ, নিউজ অ্যাপ ইত্যাদি। এই সব অ্যাপ থেকে যখন অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন আসে, তখন ফোনের স্ক্রিন বারবার জ্বলে, সাউন্ড বা ভাইব্রেশন হয়। প্রতিবার যখন স্ক্রিন জ্বলে বা ভাইব্রেশন হয়, তখন ব্যাটারি ব্যবহার হয়।
আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ব্যবহারকারীর মনোযোগ বারবার ফোনের দিকে টেনে আনে। ফলে মানুষ ঘনঘন স্ক্রিন অন করে ফোন চেক করতে থাকে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন শুধুমাত্র মোবাইলের চার্জ খরচ করে না, এটি মানুষের মনোযোগও বারবার ভাঙে। যখন ফোনে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন আসে, মানুষকে বারবার স্ক্রিন চেক করতে থাকে। এতে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয় এবং কাজের মধ্যে আমাদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। তাই অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে শুধু ফোনের ব্যাটারি বাঁচে না, আমাদের মনোযোগও ভালো থাকে এবং কাজও সহজে ও দ্রুত শেষ করা যায়।

লাইভ ওয়ালপেপার চার্জের শত্রু কেন

লাইভ ওয়ালপেপার মানে হলো ফোনের স্ক্রিনে চলমান ছবি বা অ্যানিমেশন দেখানো। এটা ফোনকে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। কিন্তু লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে ফোনের চার্জ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। কারণ, এই অ্যানিমেশন চলতে থাকলে ফোনের প্রসেসর বেশি কাজ করে, আর স্ক্রিনের পিক্সেল ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। এতে ব্যাটারি অনেক শক্তি খরচ করে। বড় বা উচ্চ মানের লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে চার্জ আরও দ্রুত কমে।

অনেক লাইভ ওয়ালপেপার ফোনের স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও ভেতরে ভেতরে চালু থাকে। এসব কারণে ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যায়। লাইভ ওয়ালপেপারে বেশি রঙ আর নড়াচড়া থাকে, তাই স্ক্রিনও বেশি চার্জ খরচ করে। সহজভাবে বললে, লাইভ ওয়ালপেপার যত সুন্দরই হোক, চার্জের জন্য ভালো না। চার্জ বেশি সময় রাখতে চাইলে সাধারণ ছবি বা ডার্ক ওয়ালপেপার ব্যবহার করাই ভালো।

দুর্বল নেটওয়ার্কে চার্জ দ্রুত শেষ হয় কেন

দুর্বল নেটওয়ার্কে থাকলে মোবাইলের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। কারণ তখন ফোন ঠিকমতো সিগন্যাল পায় না। সিগন্যাল ধরার জন্য মোবাইল বারবার চেষ্টা করতে থাকে, আর এই বাড়তি চেষ্টার কারণেই ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। দুর্বল সিগন্যালের জায়গায় ফোনে কথা বললে মোবাইল বেশি শক্তি ব্যবহার করে। কথা পরিষ্কারভাবে শোনানোর জন্য ফোন নিজে থেকেই বেশি পাওয়ার নেয়। এতে ফোন গরম হয় এবং ব্যাটারির চার্জ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়।
স্মার্টফোনে–চার্জ–ধরে–রাখাতে–বন্ধ–করুন–৫টি–ফিচার
এছাড়া দুর্বল নেটওয়ার্কে থাকলে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউবসহ বিভিন্ন অ্যাপ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এসব অ্যাপ বারবার ইন্টারনেট সংযোগ সব মিলিয়ে বলা যায়, দুর্বল নেটওয়ার্কে মোবাইলের চার্জ দ্রুত শেষ হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তাই এমন জায়গায় থাকলে মোবাইল ডেটা বন্ধ রাখা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা বা প্রয়োজনে এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো উপায়। এতে মোবাইলের ব্যাটারি অনেকটা সময় ধরে ভালো রাখা সম্ভব হয়।

চার্জ দীর্ঘ সময় রাখার অতিরিক্ত টিপস

ফোনের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চাইলে প্রথমেই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের দিকে নজর দিতে হবে। অনেক অ্যাপ আমরা ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। এসব অ্যাপ ইন্টারনেট, র‍্যাম ও প্রসেসর ব্যবহার করে। ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। নিয়মিত ব্যবহার না করা অ্যাপ বন্ধ রাখা উচিত। সম্ভব হলে এসব অ্যাপ আনইনস্টল করে দিন। চার্জ বাঁচানোর জন্য ব্যাটারি সেভার মোড খুব কার্যকর। এই মোড চালু করলে ফোনের অপ্রয়োজনীয় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ সীমিত হয়। ফলে ব্যাটারি ধীরে ধীরে খরচ হয়। এবং এতে চার্জ অনেক সময় টিকে থাকবে।
ফোন ব্যবহারের সময় যদি অনেক গরম হয়ে যায়, তাহলে ব্যাটারির কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাই। বিশেষ করে গেম খেলা, ভিডিও স্ট্রিমিং বা হাই-গ্রাফিক অ্যাপ ব্যবহার করার সময় ফোন অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়। চার্জ দেওয়ার সময়ও ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে, যা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন ব্যবহার না করা ভালো। এই ছোট ছোট সতর্কতা অনুসরণ করলে ফোনের চার্জ অনেক সময় ধরে রাখা সম্ভব।

শেষ কথাঃ স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার

স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার।স্মার্টফোনের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চাইলে কিছু বিষয় বন্ধ করা জরুরি। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা, লোকেশন সার্ভিস এবং অটো-আপডেট বন্ধ রাখুন। এছাড়া, ফোনের স্ক্রিন ব্রাইটনেস কম রাখলে এবং পাওয়ার সেভিং মোড চালু করলে ব্যাটারি অনেকদিন টিকে থাকে।

প্রিয় পাঠকবৃন্দ,আজকের আর্টিকেলে আমরা স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখাতে বন্ধ করুন ৫টি ফিচার। নিয়ে আলোচনা করেছি আশা করি, এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহজে বোঝার মতো হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান, দয়া করে কমেন্টে জানান। এছাড়াও, এই গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাতে তারা ও স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে পারে। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Talha
Md. Abu Talha
আমি ডিজিটাল ক্লিক আইটি ব্লগের এডমিন এবং একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।