এই ৭টা জিনিস ছাড়া আপনার ব্যবসাকে স্ক্রেল করতে পারবেন না

এই সাতটা জিনিস যদি আপনি না বুঝেন তাহলে আপনি কখনোই আপনার নিজের ব্যবসাকে স্কেল করতে পারবেন না। নো ম্যাটার আপনি যেই ব্যবসার ভিতরেই থাকেন আপনার ব্যবসা 20 হাজার, 30 হাজার, 40,000 টাকার পরে যেয়ে থেমে যাবে। কখনোই আপনি এই ব্যবসাকে 5 লাখ, 10 লাখ, 50 লাখ 1 কোটিতে নিতে পারবেন না। 
এই_৭টা_জিনিস_ছাড়া_আপনার_ব্যবসাকে_স্ক্রেল_করতে_পারবেন_না
কারণ এই সাতটাই একদম বিল্ডিং ব্লক এবং বেসিক প্রিন্সিপালস বিজনেসের। যেগুলো আমি অনেক ঠেকে শিখছি এবং আমি এই ভিডিওটা বানাচ্ছি যেন আপনার ওই ঠেকে শাখা জ্ঞান থেকে একটু হেল্প হয়। চল শুরু করা যাক। এক নাম্বারটা হলো ইনটেন্ট ভার্সেস এক্সিডেন্ট। ইন্টেন্ট ভার্সেস এক্সিডেন্ট

কনসেপ্টটা খুব সিম্পল। বাট আমরা বিজনেস ওনাররা অনেক সময় বেসিক কনসেপ্টটাই বুঝি না। যখন আপনি একজনকে আপনার ব্র্যান্ডের মেসেজ দিচ্ছেন হইতে পারে মার্কেটিং মেসেজ হতে পারে নরমাল এওয়ারনেস মেসেজ। মোট কথা আপনার ব্যাপারে কোন একটা কিছু আপনি একজন পটেনশিয়াল কাস্টমারকে জানাইতে চাচ্ছেন। 

এই জানানোটা ইনটেন্টেরর পরিবর্তে আসতেছে নাকি এক্সিডেন্টের কারণে আসতেছে এটা বুঝতে পারে এবং এটা ইঞ্জিনিয়ার করতে পারাটা জরুরি। ধরেন আমার দাঁতে ব্যথা। আমি গুগ এ গেলাম। আমি গুগ এ যাইয়া সার্চ দিলাম দাঁতের ডাক্তার কোথায় আছে এবং তারপরে আমার
সামনে অনেকগুলো ওয়েবসাইট আসলো Googleুগল এর অ্যাড আসলো Google এর ম্যাপের রেজাল্ট আসলো এবং ওখান থেকে আমি রিসার্চ করা শুরু করলাম আমি আমার কিছু বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলাম যে তোর দাঁতে ব্যথা ছিল তুই কোথায় গেছিলি দাঁতের ব্যথা সলিউশন করতে সে আমাকে কিছু সাজেশন দিল যে এই ডাক্তারের কাছে যা তমক ডেন্টিস্টের কাছে যা।

এরপরে আপনার ওই ডেন্টিস্টের বিজ্ঞাপন যদি আমার কাছে আসে বা আপনার ওই পেস্টের বিজ্ঞাপন যদি আমার কাছে আসে যে পেস্ট ব্যবহার করলে দাঁতের ব্যথা সেরে যাবে এই বিজ্ঞাপনটা বা এই মেসেজটা আমার কাছে আসতেছে আমার ইন্টেন্টেরর কারণে। আমি আগে দুনিয়াকে

বলছি যে আমার এই প্রবলেমটা আছে। আমি ইনটেনশন দেখাইছি। এরপরে আপনার সলিউশন এসে আমাকে বলছে তোমার এই প্রবলেম আমি সলভ করে দিতে পারবো এই সলিউশন গুলা দিয়ে। এটাকে বলে ইন্টেন্ট বেসড মার্কেটিং বা ইন্টেন্ট বেসড কমিউনিকেশন। আরেক ধরনের কমিউনিকেশন আছে যেটাকে আমরা বলি এক্সিডেন্ট বেসড কমিউনিকেশন।

আমি ফেসবুকে গেছি বা আমি টিকটক এ গেছি বা আমি YouTube শরস এর ভিতরে গেছি। আমি আপনার কথা ভাবতেছিলাম না। হঠাৎ করে আমার সামনে একটা রিল আসলো বা হঠাৎ করে আমার সামনে একটা ফেসবুক পোস্ট আসলো যে এই সুন্দর বাসার ডেকোরেশনের জিনিসটা আপনি

কিনবেন নাকি? বাসার ডেকোরেশন নিয়ে আমি ভাবতেছিলাম না। আমার মাথার মধ্যে ছিলও না। আমি ফেসবুকে গেছিলাম আমার বন্ধুরা কি পোস্ট করে বা আমি Instagram এ গেছিলাম এক ঘন্টা সময় নষ্ট করতে। বাট আমার সামনে ওই পোস্টটা মেসেজটা হঠাৎ করে চলে আসলো এক্সিডেন্ট হিসেবে। 
এক্সিডেন্টের মেসেজ এবং ইনটেন্টের মেসেজ যদি একই রকম হয় তাহলে এক্সিডেন্টের মেসেজ কখনোই কনভার্ট করবে না। একই কথা ইনটেন্টের ক্ষেত্রেও সত্য। আপনার ইনটেন্টের মেসেজ যদি এক্সিডেন্টের মেসেজের মত হয় তাহলে আপনার ইনটেন্টের মেসেজও কখনো কনভার্ট করবে না। আপনাকে আপনার কাস্টমার কখন দেখতেছে সেই

পর্যায়ে তাকে কি ধরনের জিনিস দেখানো উচিত। এইটা একজন ব্র্যান্ড হিসেবে আপনার বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এবং এই জিনিস যদি আপনি না বুঝেন, আপনি এমন সময় তাকে এমন একটা জিনিস দেখাবেন যখন সে আসলে ওই জিনিস দেখানোর মুডে না। সে পুরোপুরি অন্য জিনিস দেখার মুডে। 

এবং এই কারণে আপনি দেখবেন অনেক কোম্পানি হাজার হাজার লাখ লাখ টাকা নষ্ট করে অর্গানিকে রেগুলার ব্র্যান্ডিং এ বিলবোর্ডে ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং এ জাস্ট বিকজ ওরা ইন্টেন্ট এবং এক্সিডেন্টের পার্থক্য বুঝে না। দুই নাম্বার হলো ইর অফার ইজ ইর টার্গেটিং এবং আপনার অফার যত ভালো হবে তত আপনার মার্কেটিং এর কনভিন্সিং

এর পার্টটা কমবে এবং এওয়ারনেসের পার্টটা বাড়বে। বুঝায়া বলি আপনাদের। ধরেন আমি এমন একটা চানাচুর বানাইছি যে চানাচুরটা সব বাচ্চারা খেতে পারবে। কারণ এই চানাচুরের মধ্যে কোন চিনি দেইনি। আমি ময়দা দেইনি। আমি কলিফ্লাওয়ারের গুড়া দিয়ে কোন একভাবে চানাচুর বানাইছি। 

এখন আমার এই চানাচুর যেহেতু এত ভালো আমার মার্কেটিং এর মূল ফোকাস হওয়া উচিত এওয়ারনেস ট্রিভেন। আমার মার্কেটিং এর মূল ফোকাস হওয়া উচিত মানুষকে জানানো যে আমি এক্সিস্ট করি। নট আমার চানাচুর কিনো। মানুষকে যদি আমি জানাইতে পারি যে আমি এক্সিস্ট করি মানুষ অটোমেটিক্যালি চানাচুর কিনবে। যদি চানাচুর

ব্যাপারটার মার্কেটে ডিমান্ড থাকে। তখন আমার কনভার্শনেরর জন্য মানুষকে পটানোর জন্য মার্কেটিং করার কোন দরকার নেই বা কম দরকার। কম্পেয়ার টু আমার এওয়ারনেসের জন্য যত বেশি মার্কেটিং করার দরকার। আবার আমার যদি একটা কম্পিটিটিভ মার্কেটের ভিতরে নরমাল প্রোডাক্ট হয় ধরেন আমি একটা ফ্যান বেচি বা আমি একটা বেডসাইড ল্যাম্প বেচি। তখন কিন্তু আমার একটা বড় পোরশন অফ আমার মার্কেটিং এর থট ব্যয় হবে। 

কিভাবে মানুষকে কনভিন্স করবো আমার জিনিসটা কিনতে। কারণ ওই সময়ে মানুষ অনেক কিছুই কিনতে পারে তার ওই টাকাটা দিয়ে। সে বেডসাইড ল্যাম্প অন্য

কোম্পানি থেকে কিনতে পারে। সে বেডসাইড ল্যাম্প না কিনে বাসার ওই বেডরুম সাজানোর জন্য অন্য কিছুও কিনতে পারে। সো তার হাতে অনেক অপশন তখন আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করতে হবে তাকে কনভিন্স করতে যে কেন তার আমার কাছ থেকে বেডসাইড ল্যাম্প কেনা উচিত। তখন যদি আমি তাকে শুধু জানাই যে আমার কোম্পানিতে কিন্তু বেডসাইড ল্যাম্প আছে তাহলে কিন্তু ওইটা হবে না।

সো কখন আপনার কাস্টমারকে আপনি এওয়ারনেস ড্রিভেন কন্টেন্ট দেখাবেন এবং কখন আপনার কাস্টমারকে আপনি কনভার্ট ড্রিভেন কন্টেন্ট দেখাবেন। এই ডিফারেন্সিয়েশনটা করতে পারাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এবং অনেক

কোম্পানি আছে যারা সারাজীবন এওয়ারনেসের জিনিসপত্র দেখা যায়। আবার অনেক কোম্পানি আছে সারাজীবী কনভার্ট করার চেষ্টা করতে থাকে। আইডিয়াল মিক্স আপনার দুইটাই লাগবে। বাট কখন কোনটা বেশি লাগবে এবং আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের জন্য কোনটার প্রাধান্য বেশি দিতে হবে কখন এটা আপনার খুব স্ট্রংলি স্ট্রংলি চিন্তাভাবনা করে বুঝতে হবে। 

আজকের দিনে এসেও মানুষ যখন এনাফ কপি এবং এনাফ অড টেস্ট করে না তখন আমার দুঃখও লাগে আবার তখন আমার হাসিও আসে। ফেসবুক নিজেই এসে বলছে যে ক্রিয়েটিভ নিউ টার্গেটিং। মানে হল গিয়ে একটা সময় ছিল যখন 18 থেকে 25 বছর বয়সের মানুষকে আমার

ফেসবুক অ্যাড দেখাবো বা গুগল অ্যাড দেখাবো তার ছেলে হইতে হবে তার অলসো ইন্টারেস্টেড হইতে হবে এই এই ব্যাপারে তার এই স্কুলে পড়তে হবে এই কলেজে পড়তে হবে এই ধরনের জিনিসগুলো একসময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল যতই দিন যাচ্ছে এবং যতই প্ল্যাটফর্ম 

অ্যালগরিদমগুলা আরো বেশি স্মার্ট হচ্ছে তত আপনার যে অড বা আপনার যে মেসেজ সেই মেসেজে আপনি কাকে টার্গেট করতেছেন এইটার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাকে আপনি কি দেখাচ্ছেন এটা সবাই মোটামুটি এখন সবাইকে কে টার্গেট করতে পারে। আমার যে অডিয়েন্স সেই অডিয়েন্সকে আমিও টার্গেট করতে পারি। সেই

অডিয়েন্সকে আরো 500 বিজনেস টার্গেট করতে পারে। বাট এই 501 টা বিজনেসের মধ্যে আমি প্লাস আরো 500 যারা আছে এই 501 টার মধ্যে সেই অডিয়েন্সটা কার কি কিনবে এটা পুরাপুরি ডিপেন্ড করবে সে কি দেখতেছে ক্রিয়েটিভ তার উপরে। এবং সে যদি ভালো ক্রিয়েটিভ দেখে। ভালো ক্রিয়েটিভ মানে অনেক জাগজমকপূর্ণ অনেক ছবি আছে, ভিডিও আছে ওরকম না। 

তার সাথে যায়। এরকম একটা ক্রিয়েটিভ সে যদি দেখে তাহলে তার কনভার্ট হওয়ার চান্স অনেক বেশি। এবং এই ক্রিয়েটিভের কোয়ালিটি যত বেশি হবে ওই কোম্পানির ওই কাস্টমারটা পাওয়ার চান্স তত বেশি বাড়বে। এখন কেউ

জানে না যে কোন ক্রিয়েটিভ কোন কাস্টমারের সাথে সবচেয়ে বেশি কাজ করবে এবং এটা প্রেডিক্ট করার কিছু রুল আছে বাট একচুয়ালি জানার কোন উপায় নাই। সো আমরা সবাই যেটা করি আমরা যারা মার্কেটিং নিয়ে কাজকর্ম করতেছি এজেন্সি যা আছে আমরা সবাই যেটা করি আমরা যত বেশি যায় ক্রিয়েটিভ টেস্ট করি।

সো কোন কোন ক্যাম্পেইনের জন্য আমরা 50 টা 100 টা 200 500 1000 ক্রিয়েটিভ টেস্ট করি। কারণ আমরা জানিনা যে কোন ক্রিয়েটিভ কোন কাস্টমারের জন্য কিরকম সময় কাজ করবে। মিনিমাম রুল হইলো আপনার এটলিস্ট পাঁচটা ক্রিয়েটিভ এবং আপনার তিনটা ডিফারেন্ট কপি টার্গেট করতে

হবে। যদি আপনি পাঁচটা ক্রিয়েটিভ এবং তিনটা ডিফারেন্ট কপি প্রত্যেকটা কপি প্রত্যেকটা ক্রিয়েটিভের সাথে কম্বিনেশন করলে 15 থেকে 20 টার মত কম্বিনেশন হয়তো আসবে। আপনি যদি হেডলাইন যুক্ত করেন এই 15 20 টা যদি আপনি টেস্ট না করেন আপনার কোন কিছুর জন্য তার মানে হলো আপনি একচুয়ালি মার্কেটিং এ বেসিক এফোর্টটাও দেন নাই। 

ফোর্থ স্পিড টু লিড। আপনার কাছে একজন কিছু একটা কিছু কিনতে আসছে সে ফেসবুক মেসেজ পাঠাইছে বা সে আপনাকে ইমেইল করছে বা সে আপনার ওয়েবসাইটের ভিতরে একটা ফর্ম ফিল আউট করছে সে কোন একটা কিছু কিনতে চায় আপনার কাছ থেকে বা সে আপনার সাথে

কথাবার্তা আগাইতে চায় এখন সে একটা ইন্টারেস্ট দেখালো এই ইন্টারেস্টের পরে তার কাছে আপনি কত তাড়াতাড়ি গেলেন এটার উপর ডিপেন্ড করবে আপনার তাকে ক্লোজ করার সম্ভাবনা কতটুকু আপনি যদি পাঁচ মিনিটের ভিতরে যাইতে পারেন তাহলে 400% পর্যন্ত ক্লোজ করার চান্স বাড়ে নাম্বারটা অদ্ভুত শোনায় বাট একচুয়ালি ট্রু নাম্বার আপনি একজন লিডার কাছে যতদিন তৈরি করে যাবেন তার আপনার কাছ থেকে কোন একটা কিছু কেনার সম্ভাবনা তত কমবে। 

আপনি যত তাড়াতাড়ি যাবেন তত বাড়বে। আজকের দিনে এসে এআই এসে যাওয়ার কারণে আপনি এনটেন ব্যবহার করে বা ইভেন জেপিআর এর মত বেসিক জিনিসপত্র

ব্যবহার করেও এনাফ অটোমেশন সেট করতে পারেন যেন আপনার লিড আপনার কাছ থেকে খুব তাড়াতাড়ি ফার্স্ট পয়েন্ট অফ কন্টাক্ট বা ফার্স্ট টাচ পয়েন্ট পায়। যদি আপনি সেলস টিম ম্যানেজ করেন তাহলে অবশ্যই অবশ্যই সেলস টিমকে খুবই কেয়ারফুলি বুঝাইতে হবে যে কেন ইম্পর্টেন্ট একটা লিডের কাছে খুব তাড়াতাড়ি যাওয়া এবং ওই লিডটাকে এসিওর করা ম্যানুয়ালি নট লাইক একটা রেন্ডম অটোমেটিক ইমেইল দিয়ে যে আমি তোমার কোয়েরি পাইছি আমি এটা নিয়ে কাজ করতেছি ওই ধরনের জিনিস না পার্সোনালাইজড ওয়েতে তাকে বুঝানো যে হ্যাঁ তোমার এই প্রবলেম এই প্রবলেমের কুইক সলিুশন এইটা

বাট কালকে আমি অফিসে যাইয়া তোমাকে আরো বিস্তারিত জানাচ্ছি যদি আপনি ইমিডিয়েটলি তার পুরা প্রবলেম সলভ করতে না পারেন আপনি বিশ্বাস করবেন না আমরা তোফেসবু এড নিয়ে যেহেতু অনেক কাজকর্ম করি আমরা অনেক ক্লায়েন্টসের ডিটেইলস দেখি একটা ক্লায়েন্টের একটা ফেসবুক পেইজের ভিতরে বা একটা ক্লায়েন্টের একটা ই-কমার্স ফেইলড চেকআউট এর ভিতরে যেই পরিমাণ বিজনেস জমা থাকে ওই পরিমাণ বিজনেস সে কল্পনাও করতে পারে না যে কি পরিমাণ কনভার্শন ওখান থেকে আসতে পারে ভয়ঙ্কর অবস্থা আমি সিওর আপনি যদি একটা বিজনেস চালাচ্ছেন এরকম হয়ে থাকে 10% 20% বিজনেস আপনার এক্সিস্টিং কাস্টমার

ফ্লোর ভিতরে আছে আপনার জাস্ট লিড ফ্লো ইমপ্রুভ করতে হবে কনভার্শন ফ্লো ইমপ্রুভ করতে হবে এবং আপনার ফিলড চেকআউটের মানুষজনের সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করতে হবে খুব তাড়াতাড়ি।

আমরা না এজ বিজনেসেস অবজেকশন হ্যান্ডেল করি না এবং অবজেকশন হ্যান্ডেল যদি আপনি না করেন তাহলে ওই ব্যাপারগুলা আকাশে বাতাসে থেকে যায় এবং ওই কাস্টমারগুলা কখনোই কনভার্ট হয় না। 

যে হয়তো ওই অবজেকশনটা হ্যান্ডেল করলেই কনভার্ট হইতো। ধরেন আপনি হেলিকপ্টার সার্ভিস দেন। ঢাকার থেকে আপনি কুমিল্লায় মানুষকে হেলিকপ্টারে নিয়ে যান। এখন এই সার্ভিসটা যে নিবে তার মাথার মধ্যে অনেক

ধরনের কোশ্চেনস আছে। এর মধ্যে কিছু কোশ্চেন হলো ইনফরমেশনাল কোশ্চেন এবং কিছু কোশ্চেন হলো অবজেকশনের কোশ্চেন। ইনফরমেশনাল কোশ্চেন কি? ইনফরমেশনাল কোশ্চেন হল আচ্ছা সকালবেলা ছাড়ে প্লেন না বিকালবেলা ছাড়ে? দুপুরবেলা ছাড়ে, সোমবার ছাড়ে নাকি ছাড়ে না? 

এগুলো হল ইনফরমেশন জানার কোয়ারিস। কিছু কোশ্চেন আছে যেগুলো একচুয়ালি কোশ্চেন বাট আসলে ওগুলো কোশ্চেন না। আসলে অবজেকশন। যেমন ওদের দাম এত বেশি কেন? হ্যাঁ, ওদের প্লেন কি আসলেই সেফ? সেফ না হলে তো আমি যাবো না। এই এগুলা কিন্তু প্রশ্ন। কিন্তু এগুলা ইনফরমেশন জানার জন্য প্রশ্ন না। এগুলো অবজেকশনের প্রশ্ন। আপনি

যখন কোন ক্যাম্পেইন সাজাবেন হোক সেটা আপনার নরমাল মেসেজিং এ হোক সেটা অ্যাডে। সো আপনার ওয়েবসাইটের ভিতরে, আপনার নরমাল ফেসবুক পোস্টের ভিতরে, আপনার ইমেইলের ভিতরে, আপনার অ্যাডের ভিতরে, আপনার বিলবোর্ডে, আপনি পেপারে এড দিলে আপনার পেপারের মধ্যে। 

আপনার রেগুলারলি চেষ্টা করতে হবে এই অবজেকশনগুলো নিয়ে কথা বলতে। অবজেকশন গুলা নিয়ে কথা বলতে যেয়ে আপনি কিন্তু আবার ইনফরমেশন নিয়ে কথা বলা শুরু করবেন না। 

কারণ ইনফরমেশন কোন অবজেকশন না। ওগুলা জাস্ট কাস্টম পটেনশিয়াল কাস্টমার জানতে চাচ্ছে সে জানতে পারলেই খুশি। কোনটা ইনফরমেশন এবং কোনটা অবজেকশন কোনটা নিয়ে

কথা বলা জরুরি এবং কোনটা নিয়ে অত কথা না বললেও হয় এটা বুঝতে পারতে হবে আপনার। আমরা যখনই কোন ক্যাম্পেইন সাজাই স্পেশালি বড় ক্যাম্পেইন যখন আমরা সাজাই আমরা সাত 10 15 দিন ব্যয় করি অবজেকশন লিস্ট করার জন্য। যে এই পটেনশিয়াল কাস্টমারের এই 30 টা অবজেকশন থাকতে পারে। 

এবং এই প্রত্যেকটা অবজেকশন আমরা কিভাবে ট্যাকেল করব? অবজেকশন ওয়ান ট্যাকেল করার জন্য আমরা ওয়েবসাইটের ওই জায়গায় এই পরিবর্তন করব। অবজেকশন টু ট্যাকেল করার জন্য আমরা প্রত্যেক মাসের প্রথম সোমবার কিছু একটা পোস্ট করব। অবজেকশন থ্রি এবং সেভেন ট্যাকেল করার জন্য

আমরা একটা বিলবোর্ড বসাবো ওই জায়গায়। এভাবে আপনি মূলত আপনার কাস্টমারের মনে যত অবজেকশন আছে সব হ্যান্ডেল করবেন। যদি আপনার এরকম মনে হয় যে না অবজেকশন হ্যান্ডেল করবো না। ও আমারে যখন জিজ্ঞেস করবে তখন আমি ওরে বুঝাবো। 

অনেক সময় অবজেকশন আপনাকে জিজ্ঞেস করবেই না। সে নিজের মনেই অবজেকশন রাখবে। সে নিজের মনেই কনফিউজড হবে এবং সে নিজের মনেই চলে যাবে। সে আপনার পর্যন্ত আসবেই না। 

সো ওই জিনিস আপনি কখনো ভাইবেন না যে ওর মাথার মধ্যে কোশ্চেন আছে সমস্যা নাই। ও তো আমার কাছে আসবেই। আমাকে জিজ্ঞেস করলেই তো আমি বলে দিব। ও কখনো আপনাকে জিজ্ঞেস করবেই না।

পরের পয়েন্ট আপনার যদি একটা স্ট্রং ব্র্যান্ড না থাকে তাহলে আপনার সব এফর্ট সব মার্কেটিং এফর্ট ব্যয় হওয়া উচিত একটা স্ট্রং ব্র্যান্ড বানানোর পেছনে কনভার্শনের পেছনে না। 

আপনার যদি কোন ব্র্যান্ড প্রেজেন্সই না থাকে। আপনি কি এটা যদি কেউ নাই জানে সেই ক্ষেত্রে আপনি যদি মানুষকে কোন কিছু একটা কিনতে বলেন তার কেনার চান্স অনেক কম।

এবং সে যদি তা কিনেও আপনার কস্ট অফ কাস্টমার একুজিশন অনেক বেশি হবে। আপনি যদি আজকে 100 ডলার খরচ করেন ব্র্যান্ডিং এর জন্য এই 100 ডলার আপনাকে ছয় মাসে এভারেজ কাস্টমার একুজিশন কস্ট কমায়ে যত হেল্প করবে আপনি আজকে যদি

ইমিডিয়েট কাস্টমার একুজিশনের পেছনে যান সেই ক্ষেত্রে আপনার ওই দুই অংকের মধ্যে আপনি দেখবেন ছয় মাসের লং টার্ম অংকটা বেশি মেক সেন্স করবে। খুব কমন একটা ভুল। আমরা সবাই করি। আমরা একটা ব্র্যান্ড শুরু করি।

আমরা একটা বিজনেস শুরু করি। আমাদের কেউ চিনে না। আমরা ব্র্যান্ড বিল্ডিং এর পেছনে কোন সময় না দিয়ে ইমিডিয়েটলি এটা কিনেন, ওইটা কিনেন, এটা করেন, ওটা করেন। এই ধরনের কথাবার্তা বলা শুরু করি আমাদের পটেনশিয়াল কাস্টমারদের সাথে। যেগুললা কখনোই আপনার কাজ করবে না এবং যদি কাজ করেও আপনার কনভার্শনের কস্ট কাস্টমারকে পাওয়ার কস্ট

অনেক অনেক বেড়ে যাবে। যেটা মেক সেন্স করবে না আপনার বিজনেসের জন্য লং টার্মে। সো অলওয়েজ রিমেম্বার ব্র্যান্ড একটা সুপারফিশিয়াল জিনিস। ব্র্যান্ড এমন একটা জিনিস যেটা আসলে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না। বাট ব্র্যান্ডিং এর পেছনে অনেক সময় দিতে হয়। এই কারণেই ব্র্যান্ডিং নিয়ে হাজার হাজার বই আছে। 

ব্র্যান্ড অনেক বেনিফিট দেয়। বাট ব্র্যান্ড আমার মতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দুনিয়ায় ব্র্যান্ড সবচেয়ে বড় যে বেনিফিটটা দেয় সেটা হলো ব্র্যান্ড আমাদের কাস্টমার একুজিশন কস্ট কমায় নিয়ে আসে। যেটা আমাদের স্কেল করতে

এলাও করে। লাস্ট টার্গেট এন্ট্রি পয়েন্টস। আপনি শাড়ি বেঁচেন। আপনার কাস্টমার শাড়ি কিনতে চায়। বাট আপনার কাস্টমার আপনার কাছে শাড়ি কিনতে চায় দেখেই আসবে এটা জরুরি না। দেখেন আরো এক দুই স্টেপ পিছনে যাওয়া যায় নাকি? 

আরো এক দুই স্টেপ সাইডে যাওয়া যায় নাকি। আপনার কাস্টমার আপনার কাছে শাড়ি কিনতে আসবে কেন? হায়তো উনার সামনে বিয়ে আছে। বিয়ে রিলেটেড কি করতে পারি আমি ব্র্যান্ড হিসেবে যেন উনি শাড়ি কেনার ডিসিশনটা আসার আগেই আমি উনাকে ধরতে পারি। আমার এই পটেনশিয়াল কাস্টমার শাড়ি কিনবে কারণ উনি বিদেশ যাবে। উনি একটা শাড়ি নিয়ে যেতে

চায়। বিদেশ যাওয়ার কি কি জিনিসপত্র আছে যেগুলো আমি নিজেকে পজিশন করতে পারি। যেন ইভেনচুয়ালি যখন উনি শাড়ি কেনার এই জার্নিটার ভিতরে আসবে তখন উনার আমার কথা মনে থাকে। 

আমরা অনেকে যেটা করি আমরা আমাদের কাস্টমারদের অনেক লেটে টাচ করি। আমাদের কাস্টমারদের আমাদের চেষ্টা করতে হবে যত আর্লি টাচ করা যায় করতে। কারণ বাই দা টাইম ও লাইফ সাইকেলের ভিতরে ঢুকে গিয়েছে ততক্ষণে ওর মাথার ভিতরে অনেক ক্লাউড। 

ততক্ষণ ওর মাথার ভিতরে অনেক ঝামেলা, অনেক কোম্পানি ওর ব্রেইন স্পেস নেওয়ার চেষ্টা করতেছে। কিন্তু আপনি যদি এক স্টেপ, দুই স্টেপ, তিন স্টেপ পেছনে

যান, তখন কিন্তু অত কোম্পানি চেষ্টা করতেছে না ওর ব্রেইন স্পেসটা নেওয়ার জন্য। সো যত আর্লি আপনি একজন কাস্টমারের মনের ভিতরে আপনার জন্য জায়গা করতে পারেন, তত ভালো। 

সো আইডিয়াল বিজনেসেস যেটা করে ওরা একটা হোয়াইটবোর্ড নেয়। ওরা সুন্দর করে ভাবে এই কাস্টমারের পুরা জীবনে কি হয়? ওর বাচ্চা কি করে? ওর জামাই কি করে? ওর বউ কি করে? ও কোথায় পড়ে? ও কোথায় চাকরি করে? ও বছরে কয়বার বিদেশে যায়? 

ও কি এই ব্যাংকে একাউন্ট আছে নাকি ওর কি রিক্সায় চলে? নাকি মেট্রোতে চলে? নাকি সিএনজিতে চলে? নাকি ওর গাড়ি আছে? সব ম্যাপ করে। এবং তারপর চিন্তা

করে এর পুরা জীবনের ভিতরে কোন কোন জায়গায় আমি আমার ব্র্যান্ড দিয়ে টাচ করতে পারব। যত বেশি জায়গায় আপনি টাচ করবেন, উনার জীবনের ভিতরে আপনার ব্র্যান্ড দিয়ে। তত আপনার উনার সাথে সম্পর্ক ভালো হবে এবং তত উনার আপনার কাছ থেকে কোন কিছু কেনার প্রবণতা বাড়বে। 

এই জিনিসগুলা সব আমি বিস্তর বিস্তর খেটে খেটে শিখছি এবং ধাক্কা খেয়ে খেয়ে শিখছি এবং এগুলা যদি কেউ আমাকে সুন্দর একটা লিস্ট করে ধরায় দিত যে এই সাতটা জিনিস মাথায় রাখিস ভাই যখন তুই ব্যবসা করতেছিস তাহলে তোর অনেক বিপদ কমবে। তাহলে একচুয়ালি আমার অনেক বিপদ কমতো। বাট

আমার ওগুলো হয় নাই। বাট আশা করতেছি আপনার হবে। ভালো থাকেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Talha
Md. Abu Talha
আমি ডিজিটাল ক্লিক আইটি ব্লগের এডমিন এবং একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।