একাই একটা মার্কেটিং এজেন্সি দাঁড় করানোর step by step উপায়
আমার স্ক্রিনে আমি একটু স্ট্রাইপে লগইন করবো আপনাদের দেখানোর জন্য আমাদের এজেন্সি
কেমন পারফর্ম করছে সো আমি সাইন ইনে চাপ দেই এবং সাইন ইন চাপ দেওয়ার পর একটু লোড
হচ্ছে এখনো লোড হচ্ছে এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এখান থেকে আমি এক্সেপ্ট অল দেই গত
চার সপ্তাহে আমাদের এজেন্সিতে আয় হয়েছে 18774 ইউরোর মত ডলারে কত হয় আমি
এক্সাক্টলি জানিনা এবং প্রত্যেক মাসে এরকমই হয় প্রত্যেক মাসে 20000 25 হাজার সব
টাকা স্ট্রাইপ দিয়ে আসে এরকম না অনেকে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার করে পাঁচ সাত আট
10000 ইউরোর মত ব্যাংক ট্রান্সফার দেয়া হয়।
বাকিটুকু স্ট্রাইপের রিগারিং সাবস্ক্রিপশনে আসে এই এজেন্সি সার্ভিসেস মার্কেটিং
এজেন্সি বানায়া সেই মার্কেটিং এজেন্সি থেকে সার্ভিস দেওয়া এবং মার্কেটিং
এজেন্সি থেকে বিভিন্ন মানুষকে ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড সার্ভিসেস দিয়ে তাদের
কাছ থেকে এই সার্ভিস ফি নেয়ার এই যে যে বিজনেসটা এজেন্সি বিজনেস এই জিনিসটা আমি
করছি প্রায় আট বছরের মত হয়ে গেল এবং এই আট বছরে আমি অনেক কিছু দেখছি অনেক কিছু
শিখছি অনেক কিছু ভুল করছি অনেক কিছু আবার ঠিকও করেছি এবং আমার ধারণা আমি এজেন্সি
স্পেসে মোটামুটি জ্ঞান দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি।
এই কারণে আমি আজকে আপনাদের জ্ঞান দিব। যে জ্ঞানটা পুরাটাই হবে কিভাবে আপনি
একটা 1000 ডলার পারমান্থের বিজনেস দাঁড় করাইতে পারেন উইথ জিরো এমপ্লয় আজকের
থেকে শুরু করে চলেন শুরু করা যাক। কোন কিছু শুরু করার আগে আপনার এক নাম্বার স্টেপ
নোমের উনো সেটা হল যে আমি মানুষকে কি বেচবো? কিছু একটা বেচবো। এ কারণেই তো সে
আমাকে টাকা দিবে। তারপরে না আমার যা এজেন্সি দাঁড়াবে। এতো বেসিক কথা। সো আমি
বেচবোটা কি আসলে তাকে এইটার ক্লারিফিকেশন আসা খুব জরুরি এটার ক্লারিটি থাকাটা খুব
জরুরি সবসময় মনে রাখবেন আপনি মার্কেটিং এজেন্সির কন্টেক্সটেই আমরা কথাবার্তা বলি
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব শর্টস ভিডিও কিভাবে ভাইরাল করবেন
মার্কেটিং এজেন্সিতে আমরা অন্য বিজনেসদের বেচি আরেকটা মানুষকে তো আমরা কখনো কিছু
বেচি না অন্য আরেকটা এটা বিটুবি সার্ভিস আমরা অন্যান্য বিজনেসদের বেচি একটা
বিজনেস সবসময় দুইটা কারণে টাকা দেয় একটা কারণ হলো তার নিজের বিজনেস বড় হবে সো
আমার বিজনেসকে সে টাকা দিবে কারণ আমাকে টাকা দিলে তার নিজের বিজনেস বড় হবে এটা
একটা কারণ আরেকটা কারণ হলো তার সময় বাঁচবে এই দুইটা কারণ মোটা দাগে বলা যায়
দুইটা কারণ যদি কোন একটা আপনি ফুলফিল করতে পারেন তাহলে সে আপনাকে টাকা দিবে কারণ
তার সময়েরও অনেক দাম এবং সে আরো বিজনেস পাইলে
তো তার অবশ্যই ভালো। আপনার ফিগার আউট করতে হবে যে আপনি কি দিতে পারেন তাকে আপনি
কি বেচতে পারেন তাকে যাতে করে হয় তার সময় বাঁচবে অথবা তার বিজনেস বড় হবে। যদি
দুইটাই একই সাথে করতে পারেন তাহলে তো খুবই ভালো। যদি দুইটাই একই সাথে করা সম্ভব
না হয় তাহলে এটলিস্ট যেকোন একটা করতে হবে এবং পারসিভ ভ্যালু অফ ইওর সার্ভিস।
আপনার নিজের সার্ভিসটা সে যখন কিনবে, কেনার সময় তো সে তখনও তো সে রেজাল্ট পায়
নাই। কেনার সময় তার কি মনে হচ্ছে, যে এই জিনিসটা কেনার কারণে, আপনার সার্ভিসটা
নেওয়ার কারণে, তার কত সময় বাঁচবে, অথবা তার কত
লাভ হবে, এই নাম্বারটা যত বড় হবে, যদি মনে হয় যে তার এক ঘন্টা বাঁচবে, তাহলে সে
হয়তো আপনার সার্ভিস নিতেই চাবে না। যদি মনে হয় সপ্তাহে 15 ঘন্টা বাঁচবে তাইলে
হয়তো সে নিতে চাবে। যদি তার মনে হয় সে দুইটা ক্লায়েন্ট বেশি পাবে হয়তো সে নিতে
চাবে না। যদি তার মনে হয় যে সে 12 টা ক্লায়েন্ট বেশি পাবে তাইলে হয়তো সে নিতে
চাবে। সো পারসিভড ভ্যালু তার মধ্যে একচুয়ালি কি হবে এটা তো আমরা কেউ জানিনা শুরু
করলে বোঝা যাবে বাট পারসিভড তার মনে হইতেছে কি যে আপনারটা নিলে তার কি লাভ হবে
সময়ের দিক থেকে বা তার নিজের গ্রোথের দিক থেকে যত বড়
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন পলিসি ২০২৬
আপনি বানাইতে পারেন পারসিভ ভ্যালুটা তত বেশি চান্স যে সে আপনার সার্ভিসটা নিবে।
সো এইটা মানে পিনাকেল হিসেবে রেখে আপনি চিন্তা করেন যে আমি এখন উনাকে কি বেচতে
পারি? মার্কেটিং এজেন্সির ওয়ার্ল্ডে যদি আমরা থাকতে চাই আমরা জানি যে মার্কেটিং
এর হাজার হাজার সার্ভিসেস আছে। আমরা মানে এসইও, জিইউর থেকে শুরু করে ফেসবুক
অ্যাড, Google অ্যাড, ইমেইল মার্কেটিং, গ্রোথ হ্যাক, লিড অপটিমাইজেশন, লিড
নার্চারিং এখন তো এআই চলে আসছে। সো এআই অপটিমাইজেশন অনেক অনেক সার্ভিসেস আছে।
যেগুলো সবই বর্ডার মানে ব্রড সেন্সে মার্কেটিং এর ভিতরেই বিভিন্ন সাব সেগমেন্টের
ভিতরে পড়ে
যায়। সো আপনি চিন্তা করেন আপনি কি সার্ভিস দিবেন এবং ওটা আপনার ভালোমতো পারতেও
তো হবে। তাই না? অনেক সার্ভিসেস আছে যেগুলা ডিরেক্টলি মার্কেটিং এর মধ্যে পড়ে
না। বাট মার্কেটিং এর সহায়ক হিসেবে কাজ করে। যেমন ধরেন ভিডিও এডিটিং সার্ভিস কি
আসলে একটা মার্কেটিং সার্ভিস মনে হয় না। কিন্তু ভিডিও এডিটিং সার্ভিস দিলে তার
ভিডিও রেডি হবে। সেই ভিডিও তারপর পাবলিশ হবে। ভিডিও পাবলিশ হওয়া মানে এক ধরনের
মার্কেটিং ওটা ঘুরায়ে পেচা একটা মার্কেটিং সার্ভিসই। সেইম গোস ফর গ্রাফিক
ডিজাইন। গ্রাফিক ডিজাইন কি নিজে একটা মার্কেটিং সার্ভিস? না বাট আমি যদি কারো
কোন ক্লায়েন্টের জন্য গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করি আমার ডিজাইন করা জিনিস যখন সে
পাবলিশ করবে কোথাও তখন তো তার মার্কেটিংই হচ্ছে সো ওইভাবে চিন্তা করলে এটাও একটা
মার্কেটিং এ ফেলা সম্ভব সো আপনার চিন্তা করতে হবে আপনি কি ভালো পারেন এবং ওই
জিনিসটা আপনি যেটা ভালো পারেন ওইটা যদি ওই ক্লায়েন্টকে দেই তাহলে কি উনার গ্রোথ
হবে নাকি উনার সময় বাঁচবে দুইটার কোন একটা যদি হয় তাহলে আপনি ওটা ওনাকে বেচার
জন্য যোগ্য যদি দুইটার একটাও না হয় তাহলে আপনি যেটা পারেন ওটা উনার দরকার নাই
আপনি আরো ভালো কিছু শিখেন ক্লিয়ার এখন আমরা সেকেন্ড
স্টেপে যাব সেকেন্ড স্টেপের দুইটা সাব সেগমেন্ট এক নাম্বার সেগমেন্ট হলো
ক্রিয়েটিং জেনারেল ভ্যালু আরেকটা হলো ক্রিয়েটিং স্পেসিফিক ভ্যালু এগুললা সব
কিন্তু খুবই পার্সোনাল এডভাইস আমি আপনাদের দিচ্ছি যেগুললা আমি লাখ লাখ ইউরো
জেনারেট করছি মার্কেটিং এজেন্সি থেকে আমার ব্যক্তিগত জ্ঞান থেকে আমি আপনাদের
সবকিছু শেয়ার করতেছি ক্রিয়েটিং জেনারেল ভ্যালু কথাটার মানে কি মনে করেন আপনি ঠিক
করছেন যে হ্যাঁ আমি ভিডিও এডিটিং সার্ভিস দিব কথার কথা এখন আপনার কাজ হবে জেনারেল
ভ্যালু মানে হলো আমি আউট অন ইন্টারনেট ওয়েবে ভ্যালু সৃষ্টি করব এবং আমি আশা করব
আমার ওই ভ্যালু দেখে ক্লায়েন্ট আমার কাছে আসবে আমি যেটা করব আমি আমার টার্গেট
লিস্ট বানাবো 100, 200, 300 পটেনশিয়াল ক্লায়েন্টের যেই ক্লায়েন্টগুলাকে আমি
চাই ওদের সাথে কাজ করতে। সো আমি লিস্ট বানাইলাম। লিস্ট বানানোর মানে হলো একটা
Google শিটের ভিতরে তাদের নাম, তাদের ইমেইল, তাদের ফেসবুক পেজ, তাদের এক্স
একাউন্ট, তাদের linkedন সবকিছু সাজায় রাখবো। ওরা যখনই কোন ভিডিও পাবলিশ করবে আমি
ওই ভিডিও ডাউনলোড করব। আমি ওটা আমার মত করে আবার এডিট করবো এবং তারপর আমি আমার
প্রোফাইলে পাবলিশ করবো এবং ওদের ট্যাগ করব। গোলটা কি? গোলটা হলো ওরা দেখবে যে
ওরা যেটা পাবলিশ করছে তার থেকেও কত ভালো একটা জিনিস আমি বানাইতে পারছি। ওদের
উসিলায় আরো অনেক মানুষ দেখবে। আরো অনেক পটেনশিয়াল ক্লায়েন্ট দেখবে যে হ্যাঁ এই
ছেলেটা তো বেশ ভালো। ও ওই বিজনেসটা ওই ভিডিওটা পাবলিশ করছিল। কিন্তু ও এটার আরো
ভালো একটা ভার্সন এডিট করে নিজের এককাউন্টেই নিজে পাবলিশ করছে। এটা বেশ
ইন্টারেস্টিং। যাই ওর সাথে যাইয়া কাজ করি। এটাকে বলা হলো ক্রিয়েটিং জেনারেল
ভ্যালু। আপনি স্পেসিফিক্যালি ওই ক্লায়েন্টের জন্য কোন কিছু করতেছেন না। আপনি
প্রত্যেকদিন একটা দুইটা পাঁচটা ভিডিও উঠাচ্ছেন। নিজের মত করে এডিট করতেছেন। আরো
ভালো বেটার
ভার্সন বানাচ্ছেন। এবং তারপরে এই বেটার ভার্সন বানানোর পরে আপনি নরমালি আপনার
একাউন্টগুলাতেই পোস্ট করতেছেন। উনাদেরকে ট্যাগ করতেছেন। উনারা দেখলে খুবই ভালো।
উনারা না দেখলেও অন্যরা দেখলেও আপনার চলবে। কোন সমস্যা নেই। এটারেই জেনারেল
ভ্যালু ক্রিয়েশন বলে। জেনারেল ভ্যালু ক্রিয়েশনের কয়েকটা স্টেপ হয়। বেসিক স্টেপ
হলো আমি এতক্ষণ আপনাদের যেটা বললাম ওইটা। বাট এটার এডভান্স স্টেপও আছে। এডভান্স
স্টেপ মানে হলো আপনার যেটা করতে হবে আপনার এইটার উপরে নিজের অথরিটি বসাইতে হবে।যত
যত বেশি অথরিটি আপনি বসাইতে পারবেন তত আপনার
কাছে অর্গানিক ওয়ার্মলিড আসার প্রবণতা বেশি। আপনি শুধু তার ভিডিও ডাউনলোড করে
নিজের মত করে এডিট করে পাবলিশ করতেছেন। ভালো বাট এর থেকেও আরো ভালো। যদি এটার
সাথে আপনি নিজে একটা ন্যারেশন বসান। যে এই জায়গায় আমি কেন এটা করছি? ওদের আগে
এটা ছিল আমি এটা করার কারণে কি হবে বলে আমার মনে হয়। নিজের ন্যারেটিভ আপনি
বসাচ্ছেন যে কেন আপনি এটা করছেন? এটা যখন আপনি করা শুরু করবেন আস্তে আস্তে আপনার
অথরিটি শুরু হবে। মনে রাখবেন কন্টেন্ট ইজ বিগ লিভার। কনটেন্ট যদি আপনি বানান এবং
জেনে বুঝা বানানোর জন্য কন্টেন্ট বানান আমি এরকম অনেক মানুষ দেখছি যে মার্কেটিং
এর কিছুই বুঝে না কিন্তু সে কনটেন্ট বানাচ্ছে যে মার্কেটিং এর জন্য এটা করুন ওটা
করুন এটা করলে ওটা হবে ওটা করলে এটা হবে কারণ তাকে কেউ একজন বলছে যে হ্যাঁ তুমি
কন্টেন্ট বানাও তাহলেই তুমি ক্লায়েন্ট পাবা কিন্তু সে আসলে ক্লায়েন্ট পায় না কেন
পায় না কারণ দেখলেই বুঝা যায় যে সে জ্ঞানের উপরে জ্ঞান দিচ্ছে একচুয়ালি কিছু করে
দেখাচ্ছে না জ্ঞানের উপরে জ্ঞান দিবেন না একচুয়ালি কিছু করে দেখাবেন একচুয়ালি যদি
আপনি কিছু করে দেখান তাহলে আপনার ওয়ার্ম পাওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি জেনারেল যদি
আপনি ক্রিয়েট করার পাশাপাশি আরেকটু ডিপে যাইতে চান তাহলে আপনি যেটা
করতে পারেন সেটা হলো ক্রিয়েটিং স্পেশালাইজড ভ্যালু। স্পেশালাইজড ভ্যালু বা
পার্সোনালাইজড ভ্যালুর মানে হলো আপনি সেম জিনিসটাই করবেন। কিন্তু আপনি পাবলিকলি
করবেন না। আপনি গোপনে করবেন। গোপনে করার মানে কি? ধরেন অমুক বিজনেস পোস্ট দিছে
তাদের একটা ভিডিও। এখন আপনি ওই ভিডিওটা নিবেন। আপনি আবারও এডিট করবেন ভিডিওটা।
এবার এডিট করে আপনি আর পাবলিশ করবেন না। আপনি ডাইরেক্ট ওদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
কিভাবে যোগাযোগ করবেন? যোগাযোগ করার দুইটা উপায় আমি বলি সবসময়। এক হলো ইমেইল
100% ইউনিভার্সাল অলমোস্ট সবসময় কাজ করে। সো ইমেইল একটা এবং চেষ্টা করবেন ডিসিশন
মেকারকে ইমেইল পাঠাইতে। আর সেকেন্ড হলো ওই কোম্পানির সবচেয়ে লোয়েস্ট রিচ যেখানে
আছে সেখানে ওদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা। কারণ লোয়েস্ট রিচে আপনি নোটিশ
হওয়ার চান্স সবচেয়ে বেশি। সো একটা কোম্পানির যদি Instagram 10,000 ফলোয়ার
থাকে, ফেসবুকে 50,000 ফলোয়ার থাকে, linkedন 100 ফলোয়ার থাকে, তাইলে আপনি যদি
linkedন দিয়ে যোগাযোগ করেন তাহলে আপনার নোটিস হওয়ার চান্স বেশি। সো অলওয়েজ ডু
ইমেইল এবং একটা সোশ্যাল মিডিয়া যেটায় ওদের লিস্ট নাম্বার অফ ফলোয়ার বা রিচ আছে।
সেক্ষেত্রে আপনি নোটিস হওয়ার চান্স বেশি থাকবে। এবং ওখানে আপনি দেখান যে ভাই তুমি
তো এটা পাবলিশ করছিলা। আমি এই ভার্সনটা বানাইছি এবং আমি এই ভার্সনটা এই কারণে এই
চেঞ্জ এনেছি। তুমি এটা দেখো। দেখো তোমার কেমন লাগে। আমাকে কিছু দিতে হবে না ভাই।
তুমি এটা তোমার মত করে পাবলিশ করো। তোমার ইচ্ছা হলে তোমার ইচ্ছা না হলে পাবলিশ
করো না। তোমার অন্য কোন হেল্প লাগলে আমাকে বইলো। আপনি ওই সেম কাজই কিন্তু
করতেছেন। জেনারেলাইজড ভ্যালু ক্রিয়েশন আপনি যে জিনিসটা করতেছিলেন। বাট এখানে আপনি
স্পেশালাইজড প্রাইভেট ভ্যালু ক্রিয়েশন করতেছেন। যেটা অনেক সময় আরো বেশি
পাওয়ারফুল। কারণ এইটা একটা ফার্স্ট পয়েন্ট অফ আনলক হিসেবে কাজ করে। এটা দিয়ে আপনি
তার সাথে কথাবার্তা শুরু করতে পারতেছেন। একবার যখন কারো সাথে কথাবার্তা শুরু হয়
তারপর ওই কথাবার্তা আগাইতে থাকে। অনেক সময় আমরা অনেকে ক্লায়েন্ট খুঁজে পাই না।
কারণ আমরা কথাবার্তা শুরু করা পর্যন্তই যাইতে পারি না। এক্ষেত্রে আপনি ওই
হার্ডেলটা এভয়েড করতে পারেন। ওকে? সো আপনি তো এই জিনিস করতেছেন। আপনি রেগুলারলি
ভ্যালু ক্রিয়েশন করতেছেন পাবলিকলিও। আপনি রেগুলারলি ভ্যালু ক্রিয়েশন করতেছেন
প্রাইভেটলিও। এই দুইটা জিনিস করতে থাকলে আপনার স্কিল যদি ভালো হয় আমি সিওর আপনি
1000 ডলার পারমান্থে পৌঁছায় যেতে পারবেন। কারণ 1000 ডলার পারমান্থে পৌঁছাইতে
দুইটা
তিনটার বেশি ক্লায়েন্ট সাধারণত লাগে না। বাট তারপরেও যদি আপনি না যাইতে পারেন যে
না ভাই আমি তো 100 200 300 এরকম করে ফেলছি। বাট না হইতেছে না। তারপরে আমি পাচ্ছি
না। সে কষেত্রে দুইটা ব্যাপার হইতে পারে। এক আপনি ভালো মতো স্কিলড না। আপনার ওই
ভিডিও এডিটিং দেইখা কারো ইচ্ছাই করতেছে না আপনার সাথে যোগাযোগ করতে। কারণ সবাই
দূর এটা কি এটা তেমন কোন ভালো জিনিস না। সবসময় মনে রাখবেন কারো এক্সিস্টিং
কোয়ালিটি যদি আট হয় এবং আপনি যদি নয় করে তারে দেখান তাইলে সে আপনার সার্ভিস
নিবে না। এক্সিস্টিং কোয়ালিটি যদি আট হয় আপনার 15 করে দেখাইতে হবে বা 14 করে
দেখাইতে হবে। তখন তার মনে হবে যে হ্যাঁ এখন আমি সুইচ করি। সুইচ করা সবসময়
ঝামেলা। খুব সহজ একটা উদাহরণ দেই। ধরেন আমার ভিডিও এডিট তো হচ্ছে। এখন আমার
এক্সিস্টিং ভিডিও এডিটের কোয়ালিটি মনে করেন আট। এখন আপনি ভিডিও এডিটিং শিখছেন।
আপনি দেখছেন যে আমি বলছি যে হ্যাঁ ভ্যালু ক্রিয়েশন করো পাবলিকলি। ভ্যালু
ক্রিয়েশন করো প্রাইভেটলি। আপনি প্রাইভেটলি ভ্যালু ক্রিয়েশন করে আমার সাথে
যোগাযোগ করলেন যে ভাই আমি আপনার জন্য আরেকটা ভিডিও এডিট করছি। এই হলো আমার এডিট
করা ভিডিও। কইরেন না বাই দা ওয়ে আমার দরকার নাই আপনার ভিডিও
এডিট। আমি জাস্ট জানায় রাখতেছি এবং এক্সাম্পল হিসেবে বলতেছি ব্যাপারটা। এখন আপনার
ওই ভিডিও এডিটার কোয়ালিটি যদি নয় হয় বা সাড়েনয় হয় আমার ওই হ্যাসেলের মধ্যে দিয়ে
যাওয়া সম্ভব না যে আমার এক্সিস্টিং এডিটরকে আমি বাদ দিব আব নতুন একজনরে নিব।
জাস্ট বিকজ ওদের দেড় পয়েন্ট বেশি। কিন্তু এখন যদি হয় যে আমার এক্সিস্টিং এডিটরের
কোয়ালিটি আট। আপনি যেটা পাঠাইছেন ওইটার কোয়ালিটি 18। সেই ক্ষেত্রে আমি হ্যাসেলের
মধ্যে দিয়ে যাব যে হ্যাঁ এটা এতই ভালো যে এটা রেসপন্ড না করলে আমার লস হবে।
অলওয়েজ রিমেম্বার আপনের পটেনশিয়াল ক্লায়েন্ট যে
তার যদি মনে হয় যে এই জিনিসে যদি আমি রেসপন্ড না করি তাহলে আমি নিজেই একটা গাধা
তাহলে সে অলমোস্ট সবসময় রেসপন্ড করবে। এবং এই কারণে আপনারা ওই যে হরমোজির যে
ফেমাস বই ছিল হেড মিলিয়ন অফার ওখানে ওটার মেইন পয়েন্ট এটাই ছিল যে এমন একটা
অফার তুমি ওরে দিবা যেই অফারটায় যদি ও রেসপন্ড না করে তাহলে ও নিজেই গাধা। এবং
এই কারণে ওই সময় আমরা অনেক আউটরেজাস অফার দেখছি যে আপনার মার্কেটিং সার্ভিস আমি
দিব তিন মাস তারপরে যদি কাজ না হয় তাহলে তারপরের নয় মাস ফ্রি এই টাইপ জিনিসপত্র
আমরা তখন অনেক হইতে দেখছি যদি এখন আর আমরা হইতে দেখলে অনেকে বুঝছে যে না
এগুলা ওভার ইউজড হয়ে গেছে বাট ওই সময় ওই ব্যাপারগুলা কাজ সেম প্রিন্সিপালেই কাজ
করছে যে তখনই উনি রিপ্লাই করবে কারণ উনার তো কোন সমস্যা নেই উনার জীবন তো চলতেছেই
ভালো উনি তখনই আপনাকে রিপ্লাই করবে যখন উনার মনে হবে যে এটা রিপ্লাই না করলে আমার
সমস্যা আছে এতেও যদি আপনার কাজ না হয় দুনিয়ায় তিন ধরনের ক্লায়েন্ট পাওয়ার
উপায় আছে ফার্স্ট এটা হল ওয়ার্ম আউট আউটরিচ এরপরেরটা হলো কোল্ড আউটরিচ এবং
তারপরেরটা হলো গিয়ে পেইড অড এই তিনটার কোনটা না কোনটা আপনার জন্য কাজ করতে হবে
দুনিয়ায় যত কোম্পানি আছে মার্কেটিং
এজেন্সি বলেন অন্যান্য কোম্পানি বলেন সবাই এই তিনটার কোনটা না কোনটা দিয়ে
ক্লায়েন্ট পায় সবাই পাইতেছে দুনিয়ার তারপরে আপনি যদি না পান তাহলে আপনি
ইমপ্লিমেন্টেশনে সমস্যা করছেন এই মেথডে কোন সমস্যা নেই স্ট্র্যাটেজিতে কোন সমস্যা
নাই ইমপ্লিমেন্টেশন সমস্যা আছে ওয়ার্ম আউটরিচ আমার সবচেয়ে ফেভারিট ওয়ার্ম সবাই
যেভাবে করে আমি ওভাবে করতে রেকমেন্ড করি না ওয়ার্ম আউটরিচ আমি যেভাবে করতে
রেকমেন্ড করি সেটা হলো আপনার বন্ধু বান্ধবকে জিজ্ঞেস করবেন তাদেরকে কিন্তু আপনার
সার্ভিস কিনতে বলবেন না এটা খুব ভুল একটা জিনিস এটা কখনোই কাজ করে না আপনার
বন্ধু বান্ধবকে আপনি বলবেন যে ভাই আপনাদের পরিচিত এমন কেউ আছে নাকি যার সাথে
আমাকে পরিচয় করায় দিতে পারবেন যার এরকম সার্ভিস লাগতে পারে এখানে অবশ্য আরেকটা
কথা বলা উচিত এমন জিনিস শিখেন না বা এমন জিনিস বেচার চেষ্টা করে না যেটার
মার্কেটে আসলে ডিমান্ডই অনেক কম। সো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা বেসিক এসইও বা গ্রাফিক
ডিজাইন এই টাইপ জিনিসপত্র আসলে মার্কেটে ডিমান্ডই কম। সো একটু মানে বুইঝা শুইনা
ভালোমতো এডভান্স কিছু জিনিসপত্র যদি শিখেন তাহলে আপনার কাজ অনেক ক্ষেত্রেই সহজ
হয়ে যাবে। না হলে জাস্ট অনেক বেশি করতে হবে অত
সহজ থাকবে না আমরা আবার মেইন পয়েন্টে ফেরত আসি মনে রাখবেন ওয়ার্ম আউট রিচে অনেকে
বলে না যে প্রথমে তোমার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজনকে কিনতে বল তোমার সার্ভিস এইটা
ঠিক না আপনি যেটা করবেন মনে করেন আপনি গ্রাফিক ডিজাইন সার্ভিসেস বেচেন আপনার কাজ
যেটা হবে আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব আত্মীয়স্বজন যত ফোনবুকে দেখবেন যত মানুষ আছে
সবাইকে বলবেন যে ভাই আমি এই জিনিস লঞ্চ করছি আমি এখন থেকে এই সার্ভিস দিব তোমার
পরিচিত এমন কেউ আছে নাকি যার সাথে তুমি আমার পরিচয় করায় দিতে পারবা যার এই
সার্ভিস লাগলেও লাগতে তুমি জাস্ট আমার সাথে তার পরিচয় করায়ে দাও কোন
সমস্যা নেই। এরপরে লাগলে ভালো না লাগলেও কোন সমস্যা নেই। তুমি যে আমার সাথে তার
পরিচয় করায় দিচ্ছ এতেই আমি খুশি। এবং তুমি যেহেতু আমাকে তার সাথে পরিচয় করা
দিচ্ছ এই কারণে আমি তাকে একটা স্পেশাল ডিসকাউন্ট দিব। এটা হবে আপনার পিচ। এই
পিচের পরে সাতদিন পরে যদি সে যোগাযোগ না করায় দেয় এরকম কারো সাথে তাহলে আপনি
তাকে আরেকটা রিমাইন্ডার দিবেন যে ভাইয়া বাবা বা বা মা বা খালা। আমি সাতদিন আগে
তোমাকে বলছিলাম যে আমি এই গ্রাফিক ডিজাইনের সার্ভিস লঞ্চ করছি এবং তোমাকে বলছিলাম
যে আমাকে এমন কারো সাথে পরিচয় করা তোমার নেটওয়ার্কের যার গ্রাফিক
ডিজাইনের সার্ভিস লাগলেও লাগতে পারে। তুমি তো দাও নাই। আবার এর জন্য একটু মনে
করায় দিলাম যে দিবা নাকি। এই জিনিসটা আপনি দুই তিনবার করবেন। এখান থেকে আপনার
ফার্স্ট চার পাঁচটা ক্লায়েন্ট আসা উচিত। যদি এটা না আসে তার মানে ওয়ার্ম আউটরিচ
আপনার জন্য কাজ করতেছে না। সেক্ষেত্রে আপনার কোল্ড আউটরিচে চলে যেতে হবে। কোল্ড
আউটরিচ হলো আমি এটা চিনি না। তারপরও আমি এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করতেছি যেন
সে আমার সার্ভিস নেয়। টাফ জিনিস। কাজ করে না তা না। বাট অনেক স্কেলে করতে হয়। 100
ইমেল পাঠাইলে হয়তো কিছু হবে না। 1000 পাঠাইলে
হয়তো কাজ হইতেও পারে। 10000 পাঠাইলে আরেকটু নিশ্চিত কাজ হবে। এক লাখ পাঠাইলে হয়তো
আরেকটু নিশ্চিত কাজ হবে। এটা একটা স্কেলের গেম। আপনি যত বেশি স্কেল করবেন তত
আপনার কাজ হওয়ার চান্স বেশি। কাজ হওয়া মানে হলো মিটিং এ যাওয়া। অনেকে যে ভুলটা
করে তারা ইমেইলেই ক্লোজ করার চেষ্টা করে। তারা ইমেইল বা হোয়াটপ এর মধ্যে মানে
ক্লায়েন্টের টাকা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাট সবসময় মনে রাখবেন আপনি যদি নতুন হন
অলওয়েজ প্রক্সিমিটি ইম্পর্টেন্ট। আপনি যদি সেই ক্লায়েন্টের সামনাসামনি থাকেন,
জুমে না, Google মিটে এ না, সামনাসামনি যদি
থাকেন, তাইলে তার আপনার কাছ থেকে কেনার চান্স অনেক বেশি। সামনাসামনি যদি থাকতে না
পারেন সেকেন্ড বেস্ট হইলো ভিডিও কল। লাস্ট বেস্ট হইলো গিয়ে অডিও কল। চেষ্টা
কইরেন সামনাসামনি থাকার অথবা এটলিস্ট ভিডিও কলে থাকার তাহলে আপনার ক্লোজ রেট অনেক
ভালো হবে। এবং এই দুটোর কোন একটা যদি আপনার কাজ না করে সেক্ষেত্রে আপনার হাতে
লাস্ট একটাই অপশন আছে সেটা হল পেইড অডে যাওয়া। ডিপেন্ডিং অন ইর সার্ভিস আপনার
পেইড অডের অপশন মোটামুটি লিমিটেড সেটা হলো হয় গুগ অড অথবা ফেসবুক অড অথবা tিকটক
অড প্রাইমারিলি এগুলাই করে মার্কেটিং এজেন্সি
মোস্টলি গুগ অড করে। কখনো কখনো কেউ tিকটক অ্যাড করে। আমি এগেইন পার্সোনাল
এক্সাম্পল বলতেছি। সো Facebook এড খুব কমই করে। কিছু কিছু মার্কেটে করে। আমরা
যেসব মার্কেটে কাজকর্ম করি ওসব মার্কেটে Facebook এড খুব একটা চলে না। সবসময় মনে
রাখবেন আপনি যদি বিদেশের মার্কেটে পেইড অ্যাড চালাইতে চান, পেইড একুজিশন মডেল
চালাতে চান অনেক এক্সপেন্সিভ। এক একটা লিড পাওয়ার জন্য আমরা অনেক সময় 25 থেকে 35
ডলার পর্যন্ত খরচ করি। প্রত্যেকটা লিড কিন্তু কাস্টমার হয় না। অনেক সময় পাঁচটা,
10 টা, 15 টা লিড এর পরে একটা কাস্টমার হয়। সো এককটা
কাস্টমার পেতে 400,500 ডলারও কখনো কখনো খরচ হয়ে যায় একটা ক্লায়েন্ট পেতে। তারপর
ওই টাকাটা উঠে আসে দুই তিন চার মাস পরে যে জাস্ট আমি আপনাদের জানায় রাখলাম যে
পেইড একুজিশন অনেকের জন্যই খুবই টাফ একটা গেম বিকজ শুরুর দিকে ইনভেস্টমেন্ট অনেক
হাই হয়ে যায় এইতো আর তেমন কোন গোপন রহস্য নাই এর ভিতরে এন্ড জাস্ট গিভ ইট টাইম এই
পুরা ব্যাপারটা যদি আপনি ঠিকঠাক মতো করতে পারেন একজনের পক্ষে কোন মানুষের সাহায্য
ছাড়া 1000 ডলার পারমান্থের একটা বিজনেস ইজিলি দাঁড় করানো সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস
করি আপনার জাস্ট আমি যে স্টেপগুলা বললাম
স্টেপগুলো করতে হবে এবং পুরা জিনিসটাকে একটু টাইম দিতে হবে খুব বেশি ইম্পেশেন্ট
হয়েন এট দা সেম টাইম কাজ স্লো করে ফেললেন না। কাজ অনেক করবেন বাট একই সাথে
পেশেন্স থাকবে। অবশ্যই হবে। না হওয়ার কোন কিছু নেই। ভালো থাকেন।

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url