ইংল্যান্ড নাকি আয়ারল্যান্ড? পড়াশোনার জন্য কোথায় যাবেন? বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা
আজকে আমরা একটা মজার কাজ করব। আমরা ইউকে এবং আয়ারল্যান্ডকে কম্পেয়ার করব
বোঝার জন্য আপনার ইউকেতে যাওয়া উচিত পড়াশোনা করতে নাকি আয়ারল্যান্ডে যাওয়া
উচিত পড়াশোনা করতে। বা আমি যদি কোশ্চেনটা অন্যভাবে করি আপনার কি ইউকে পাসপোর্ট
এচিভ করার চেষ্টা করা উচিত নাকি আপনার আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট এচিভ করার
চেষ্টা করা উচিত। চলেন শুরু করা যাক।
প্রথমে যে পয়েন্টটা যেটা আমার মনে হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সেটা হলো
কোয়ালিটি অফ এডুকেশন। কোয়ালিটি অফ এডুকেশনে ইউকে এবং আয়ারল্যান্ডকে আপনি খুব
বেশি আলাদা করতে পারবেন না। কোয়ান্টিটি অফ এডুকেশনেপারবেন।
মানে হলো অনেক এরকম সাবজেক্ট আছে যেই সাবজেক্টগুলো যদি আপনি পড়তে চান আপনি
আসলে আয়ারল্যান্ডে যেতে পারবেন না। যেমন ধরেন কেমিস্ট্রি পড়তে চান, আপনি
ফিজিক্স পড়তে চান, আপনি, অ্যাস্ট্রোফিজিক্স পড়তে চান আপনি। এরকম সাবজেক্ট
একচুয়ালি আয়ারল্যান্ডে অত এভেলেবল নাই। যা আছে তার খরচ একচুয়ালি অনেক বেশি।
বিকজ এভেলেবিলিটি কম। এ কারণে খরচ অনেক বেশি। অন দ আদার হ্যান্ড ইউকেতে দুনিয়ার
এমন কোন সাবজেক্ট নাই যেটা নাই। সো কোয়ান্টিটি দিয়ে যদি আমি মেজার করার চেষ্টা
করি ইউকে থেকে আগায়ে যাবে আয়ারল্যান্ড। এটা কখনোই
সম্ভব না। অবশ্যই ইউকে অনেক আগায় থাকবে। কোয়ালিটি দিয়ে যদি আমি মেজার করি ইউকে
ইজ মিক্সড ব্যাগ। ইউকেতে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় ইউনিভার্সিটিগুলার অনেকগুলা আছে।
আপনারা জানেন। কেমব্রিজ অক্স ইত্যাদি ইত্যাদি। এট দা সেম টাইম ইউকেতে এরকম অনেক
ইউনিভার্সিটি আছে যেগুলো আসলে ইউনিভার্সিটি হওয়ার যোগ্য না। ওগুলা খুব একটা
ভালো ইউনিভার্সিটি না। ওগুলার কাজই হলো স্টুডেন্ট ভর্তি করানো। কোনরকম কিছু
একটা রেন্ডম পড়ায় দেওয়া এবং তারপরে ও স্টুডেন্টগুলো টিউশন ফি নেওয়ার চেষ্টা
করা এরকম অনেক জিনিস আছে। আয়ারল্যান্ডে টোটাল ইউনিভার্সিটির সংখ্যা অনেক কম।
বাট
আয়ারল্যান্ডে যারা আছে তারা মোর অর লেস ভালো। সো এইভাবে মানে কনক্লুসিভ
ডিসিশনে আসা কঠিন যে আয়ারল্যান্ডের এডুকেশন ভালো নাকি ইউকের এডুকেশন ভালো? আমি
জাস্ট ব্রডলি আপনাদের এটাই বলব যে দুই দেশের ভিতরেই কোয়ালিটি অপশন আছে। ইউকের
এক্সট্রা বেনিফিটটা হইলো ইউকের ভালো কোয়ান্টিটিও আছে যেটা আইল্যান্ডের নাই।
সেকেন্ড পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ কস্ট অফ লিভিং। কস্ট অফ লিভিং এ আমি ইউকে কে
আগায় রাখবো। তার অনেকগুলা কারণ আছে। সবচেয়ে মেজর কারণ যেটা আয়ারল্যান্ডের সাথে
কম্পারিজনে আমি বলতেছি বাই দা ওয়ে অন্যান্য দেশের সাথে কম্পারিজনে ইউকে আগায়
থাকবে না। বাট আমরা যেহেতু আয়ারল্যান্ড ভার্সেস ইউকে কম্পারিজন ভিডিও বানাচ্ছি।
সো আয়ারল্যান্ডের সাথে কম্পেয়ার করলে ইউকে কস্ট অফ লিভিং অনেক কম। ইউকেতে
আয়ারল্যান্ডের মত হাউজিং ক্রাইসিস নাই। আয়ারল্যান্ডে আপনি যদি একটা বাসা ভাড়া
নিতে চান আপনার বাসা ভাড়ার কথা আপনি ভুলে যান। বাসা ভাড়ার তো আপনার 2000 ইউরোর
বেশি লেগে যাবে। আপনি যদি একটা রুম নিতে চান কথার কথা আপনার 900, 1000 এরকম
লেগে যাবে। যেটা ইউকেতে আপনি আরো অনেক কমে পেয়ে যাবেন। স্পেশালি লন্ডনের বাইরে
গেলে তো অনেক কমে পেয়ে যাবেন। আরেকটা এঙ্গেল আছে সেটা হলো ইউকেতে যেহেতু
বাংলাদেশের বাইরে
সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী একচুয়ালি ইউকেতেই থাকে। এই কারণে ইউকেতে বাংলাদেশিদের
পার্টটাইম জব নিয়ে স্ট্রাগল করতে হয় না। আমি অনেক ইউকে মানুষজনদের সাথে কথা
বলি রেগুলারলি। এবং তার মধ্যে বেশিরভাগই স্টুডেন্ট। আমি সবাইকে জিজ্ঞেস করি
পার্টটাইম জব পাইতে কোন সমস্যা হইছে নাকি ইত্যাদি ইত্যাদি। কারোর রিএকচুয়ালি
তেমন কোন সমস্যা না। পার্টটাইম জব পাইতে। একচুয়াল জব পাইতে অনেক কষ্ট হয়।
পার্টটাইম জব পাইতে কারো কোন সমস্যা হয় না। সো নিজেকে সাপোর্ট করার যে
এঙ্গেলটা ওই এঙ্গেলে ইউকে অনেক আগায়ে যায়। প্লাস এর আগের পয়েন্টটার নিরীক্ষা
আমি যদি
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব শর্টস ভিডিও কিভাবে ভাইরাল করবেন
আরেকটু বলি ইউকেতে যেহেতু ইউনিভার্সিটির অপশন অনেক বেশি এভারেজ টিউশন ফি ইউকেতে
একচুয়ালি অনেক কম। আয়ারল্যান্ডের সাথে কম্পেয়ার করলে। সো ওভারঅল আপনি
ল্যান্ডস্কেপের দিকে যদি তাকান ইউকের লিভিং কস্ট আয়ারল্যান্ডের লিভিং কস্টের
থেকে অনেক কম। থার্ড এটা কত বড় বেনিফিট আপনার জন্য আমি জানিনা শুরুর দিকে
আপনার অত লাগবে না বাট ইভেনচুয়ালি চার পাঁচ বছর যখন যাবে তখন আপনি এই জিনিস
ফিল করা শুরু করবেন যে যদি আপনি ইউকেতে থাকেন আপনার ওরকম মনে হবে না যে আপনি
বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে আছেন। একে তো আপনি যাই চান আপনি ঢাকার পদ্মা নদীর ইলিশ
থেকে শুরু করে আম
থেকে শুরু করে আপনি যাই খেতে চান বা যাই করতে চান বিকাশ করতে চান কাউকে আপনি
ইউকে রাস্তা থেকে করতে পারবেন ইউকে বেসিক্যালি বাংলাদেশি যেটা আপনি
আয়ারল্যান্ডে কখনো কল্পনাও করতে পারবেন না। সো বাংলাদেশি ডায়াস্পোরার যে
ব্যাপারটা বা ধরেন ইউকে থেকে ঢাকায় কিন্তু বাংলাদেশ বিমান যায়। আয়ারল্যান্ড
থেকে যদি আপনি বাংলাদেশে যাইতে চান আপনার ফার্স্টে কাতার যাইতে হবে। অথবা আপনার
ফার্স্টে দুবাই যাইতে হবে এবং তারপর আরেকটা ফ্লাইট নিয়ে আপনার বাংলাদেশে যাইতে
হবে। সো ওই এঙ্গেলগুলা যে কানেকশন টু বাংলাদেশ ওভাবে যদি আমি চিন্তা
করি ইউকে অনেক আগায় থাকবে। এখানে কোন কম্পারিজন নাই। আয়ারল্যান্ড ধারের কাছেও
আসবে না। পরের যে পয়েন্টটা সেটা হলো জব অপরচুনিটিজ। জব অপরচুনিটিস ব্যাপারটা
একটু কমপ্লিকেটেড। কারণ জেনারেলি স্পিকিং ইউকেতে জবের সংখ্যা আয়ারল্যান্ডের
জবের সংখ্যার থেকে বেশি। কারণ আয়ারল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র 50-60 লাখ। ইউকে
জনসংখ্যা তার অনেক অনেক বেশি গুণ এবং এই কারণে ইউকেতে ন্যাচারালি স্পিকিং
কোম্পানির সংখ্যা বেশি যেহেতু মানুষ বেশি এবং যেহেতু কোম্পানির সংখ্যা বেশি এই
কারণে জব অপরচুনিটি বেশি কারণ ওই কোম্পানিগুলা রেগুলার হায়ার করে যেটা
আইল্যান্ডে অত হয়
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন পলিসি ২০২৬
না বাট কিছু কিছু সেগমেন্ট আছে যেই সেগমেন্ট আবার আয়ারল্যান্ড আগায়ে থাকে
স্পেশালি আপনি যদি একজন হাই স্কিলড মানুষ হন আপনি খুব ভালো কোডিং বাড়েন আপনি
খুবই ভালো অমুক ইঞ্জিনিয়ার তমুক ইঞ্জিনিয়ার আপনি খুবই ভালো এই এরোস্পেস
ডাইনামিক্স নিয়ে কাজ খুবই ভালো আপনি সেই ক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ডে কিন্তু
ইউরোপিয়ান হেডকোয়ার্টার আছে সবার আবার টেক কোম্পানিগুলার কথা আমি বলতেছি। সো
Amazon, Facebook, Apple ইত্যাদি ইভেন TikTok তারপরে এই টাইপ যত কোম্পানি আছে
সবাই। সো আয়ারল্যান্ডে যেহেতু এদের ইউরোপিয়ান হেডকোয়ার্টার আছে। আয়ারল্যান্ডে
এই
মার্কেটগুলায় ওই ধরনের অপরচুনিটি বেশি। বাট জেনারেলি স্পিকিং বেশিরভাগ
ক্যারিয়ারের মানুষের জন্য ইউকেতে অপরচুনিটি সাইজ বেশি হবে। এখানে আরো অনেকগুলো
ব্যাপার আছে। তার মধ্যে একটা ব্যাপার হলো যখন দুনিয়ার অবস্থা খারাপ যায় যখন
রিসেশন চলে বা যখন জব মার্কেট ক্রাঞ্চ হয় যেটা এই মুহূর্তে হচ্ছে এআই এর কারণে
লে অফ হচ্ছে যুদ্ধের কারণে হায়ারিং ফ্রিজ হয়ে যাচ্ছে সবকিছুর দাম বাড়তেছে
এবং ইউকে আয়ারল্যান্ড দুইজনই এফেক্টেড হয়। কারণ আপনি যদি ম্যাপের দিক থেকে
তাকান উপরের থেকে দুইটা কিন্তু পাশাপাশি দেশ। দুইজনই সিমিলার ভাবে
এফেক্টেড হয়। একজন খুব বেশি আগায় যায় আরেকজনের ক্ষতি হয় এরকম না। ওভাবে যদি
আপনি চিন্তা করেন দুইজন সেম। বেশিরভাগ মানুষের জন্য যারা রেন্ডম রেন্ডম
সাবজেক্টে পড়ে ধরেন নার্সিং বা মেডিসিন বা রাইটিং বা জার্নালিজম এই টাইপের
রেন্ডম রেন্ডম সাবজেক্টের মানুষের জন্য ইউকে বেটার জব পার্সপেক্টিভে স্পেসিফিক
আইটি রুলস এর জন্য কিছু কিছু আইটি রোলস আছে যেগুলোর জন্য আই থিংক আয়ারল্যান্ড
বেটার ইউকে থেকে পরের পয়েন্ট পাথ টু সিটিজেনশিপ পাথ টু সিটিজেনশিপে আমি
আয়ারল্যান্ডকে আগায় রাখবো আমার অলরেডি আইরিশ পাসপোর্ট আছে আমার সাথে যতগুলা
আমার বন্ধু ইউকেতে
গেছিল তাদের কারো এখনো ব্রিটিশ পাসপোর্ট নাই সো মানে সিম্পল বাইনারি হিসাব আমি
পাইয়া গেছি। ওরা পায় নাই। আমরা দুজন একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে বের হইছি মাস্টার্স
করার জন্য। বাট আমি পেয়েছি ওরা পাই। কারণ এটা জাস্ট মানে আমি কোন কুতুব ওই জন্য
না। কারণ আয়ারল্যান্ডের সিটিজেনশিপের প্রসেসটা একটু সিম্পল। আয়ারল্যান্ডের
সিস্টেমটা হলো আপনি মাস্টার্স শেষ করবেন। এরপরে আপনি দুই বছরের চাকরি খোঁজার
সুযোগ পাবেন। চাকরি যেদিন থেকে আপনি পাইলেন ওইদিন থেকে তিন চার বছরের মত সময়
আপনার লাগে। চার টোটাল ছয় বছরের মত লাগে পাসপোর্ট পেতে। ইউকেতেও
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন পলিসি ২০২৬
ফার্স্টের পার্ট সেম। আপনি মাস্টার শেষ করলেন আপনি দুই বছরের জায়গায় 18 মাস সময়
পান চাকরি পাইতে। সো মোটামুটি সেম আয়ারল্যান্ড দুই বছর দে ইউকে 18 মাস দেয়।
এরপরে আপনার একটা চাকরি পাইতে হবে। এগেইন সেম ইউকেতে সব কোম্পানি স্পন্সর করতে
পারে না। আয়ারল্যান্ডের সব কোম্পানি স্পন্সর করতে পারে। বাট এই কারণে একচুয়ালি
ইউকে ইউকে আপনি নেগেটিভ পয়েন্ট দিতে পারবেন না। কারণ ইউকেতে কোম্পানির সংখ্যা
এত বেশি যে যদিও সবাই স্পন্সর করতে পারে না। তারপরে ইউকেতে বেশিরভাগ
এভেলেবিলিটি আপনি দেখবেন কম্পেয়ারে টু আয়ারল্যান্ড। সো মনে করেন
আয়ারল্যান্ডে সবাই স্পন্সর করতে পারে। বাট আয়ারল্যান্ডে কোম্পানি 20 টা। ইউকেতে
সবাই স্পন্সর করতে পারে না। কিন্তু শুধুমাত্র যাহারা পারে ওই সংখ্যাই 100। সো
ওভাবে যখন আপনি চিন্তা করবেন ওখানে নেগেটিভ পজিটিভ দেওয়া সম্ভব না এবং তারপরে
আপনি যখন জব শুরু করবেন ইউকেতে তারপরে আপনি ছয় বছর পরে যে আইএলআর পাবেন তার 12
মাস আইএলআর মানে হলো ইনডিফিনিট লেভ টু রিমেইন বেসিক্যালি একটা পিআর এর আরেকটা
ভার্সন এবং তারপরে 12 মাস আপনি ইউকেতে থাকার পরে পাসপোর্টের এপ্লাই করতে পারবেন
সো সব যদি আপনার ঠিকঠাক মতো চলে তাও আপনার সাত থেকে আট
বছরের মতো লাগবে ইউকে পাসপোর্ট পেতে যদি সব ঠিকঠাক মতো না চলে সেক্ষেত্রে 10
থেকে 12 বছরও লাগতে পারে আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে যেটা আপনি মোটামুটি সবসময় ছয়
সাত বছরে পেয়ে যাবেন যদি আপনি 41000 ইউরোর চাকরি পান বা 400 ইউরোর চাকরি পান।
ইউকেতে 41 হ পাউন্ডের চাকরি পাইতে হয়। সো কমপ্লিকেশন অফ সিটিজেনশিপ এবং
আয়ারল্যান্ডে আমি কাউকে সিটিজেনশিপ নিয়ে ঝামেলা হইতে দেখিনি। মানে এপ্লাই করছি
তারপর হারায়ে গেছে খুঁজে পাইনি। ওরা কিছু বলে না। এরা কিছু বলে না। হইছে এরকম
খুব একটা হতে দেখিনি আমি। যেটা আমি ইউকেতে রেগুলার শুনি যে আমারটা রিজেক্ট
হইছে।
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব শর্টস ভিডিও কিভাবে ভাইরাল করবেন
আমারটা এই হইছে হইছে। আমার মনে হয় টু সিটিজেনশিপ। আয়ারল্যান্ড অনেক সিম্পল।
লাস্ট পয়েন্ট সেটা হলো ইউ বেনিফিট। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বেনিফিট। আয়ারল্যান্ড
কিন্তু ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একজন মেম্বার। ইউকে ব্রেক্সিটের পরে থেকে ইউরোপিয়ান
ইউনিয়নের সদস্য না। এখন আয়ারল্যান্ড কিন্তু সেনজেনের কোন দেশ না। সেনজেন একটা
এগ্রিমেন্ট। যে এগ্রিমেন্টে বলা হয়েছে যে এই 27 টা দেশ আছে বা 25 টা দেশ যে
কটা দেশ আছে সেনজেনে এরা সবাই নিজেদের নিজেদের মধ্যে ট্রাভেল করতে পারবে।
মাঝখানে কোন বর্ডার কন্ট্রোল থাকবে না। মানে কোন ভিসা চেকটেক হবে না। কোন ভিসা
লাগবে না। আপনি
যদি জার্মানিতে পড়তে আসেন আপনি কালকে নেদারল্যান্ডে যাইতে পারেন। আপনি পরশুদিন
বেলজিয়ামে যাইতে পারেন। আপনি তারপরের দিন ফ্রান্সে যাইতে পারেন। কোন সমস্যা
নাই। এই জিনিসের মধ্যে কিন্তু আয়ারল্যান্ড নাই। আয়ারল্যান্ড কিন্তু আলাদা
একটা দ্বীপরাষ্ট্র। সো আপনি যদি ভাবেন যে আমি আইয়ারল্যান্ডে যাবো তারপরের দিন
আমি ফ্রান্সে সম্ভব না। আপনার বর্ডার কন্ট্রোল আছে আয়ারল্যান্ডে। আয়ারল্যান্ড
দিয়ে এই জিনিস করা সম্ভব না। সো সেইনজেনের বেনিফিট আয়ারল্যান্ডে নাই। বাট
আয়ারল্যান্ড ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য। আয়ারল্যান্ডে ইউরো চলে। ইউরোপিয়ান
ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার
মানে হলো যখন আপনি আয়ারল্যান্ডের নাগরিক হবেন তখন আপনি একই সাথে 28 টা দেশের
নাগরিক হইছেন বলা যায়। মানে কাগজে কলমে আপনি আয়ারল্যান্ডেরই নাগরিক। বাট 28 টা
দেশের যেকোন জায়গায় যে আপনি চাকরি শুরু করতে পারেন। যেকোন জায়গায় যে আপনি জমি
কিনতে পারেন। যেকোন জায়গায় যে আপনি থাকা শুরু করতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। যে
বেনিফিটটা আপনি ইউকেতে গেলে পাবেন না। কারণ ইউকে একা। এখন ইউকে একা নিজে বিশাল
এবং ওরও কিছু বাই এগ্রিমেন্ট আছে যেমন ইউকের সিটিজেনরা অস্ট্রেলিয়ায় যাইয়া
থাকতে পারে। এরকম অনেক ব্যাপার স্যাপবার আছে। জেনার স্পিকিং ইউরোপিয় ইউনিয়নের
বেনিফিটটা আপনি আইল্যান্ডেই পাবেন। যেহেতু আয়ারল্যান্ড ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
মেম্বার। আপনি ইউকেতে ওটা পাবেন না। ওভারল আমি কি রেকমেন্ড করি? আপনার কি
আইল্যান্ডে যাওয়া উচিত নাকি ইউকে যাওয়া উচিত? আমার উত্তর হল এটার কোন সঠিক
উত্তর নাই। আয়ারল্যান্ড এবং ইউকে দুইটাই খুব খুব ক্লোজ অপশনস। বেশিরভাগ
মানুষের জন্য আমার মনে হয় ইউকে বেটার অপশন। কারণ আপনি যদি পড়াশোনা করেন
ঠিকমতো এবং আপনি যদি ইউকেতে চাকরি পান 41,000 পাউন্ডের সেক্ষেত্রে আপনি খুব
ইজিলি ছয় বছরের মধ্যে ব্রিটিশ পাসপোর্ট পেতে পারেন। আয়ারল্যান্ডে যদি
আপনি পড়াশোনা করেন এরপরে আয়ারল্যান্ডে 4,000 ইউরোর চাকরি পাইতে হবে
সিটিজেনশিপের জন্য। তারপর আপনি ইজিলি সিটিজেনশিপ পাবেন সেটা ঠিক আছে। বাট
আয়ারল্যান্ডের এভেলেবিলিটি অফ জবস ইউকের এভেলেবিলিটি অফ জবস এর থেকে একটু কম
এবং ইউকের এভেলেবিলিটি অফ এডুকেশন আয়ারল্যান্ডের এভেলেবিলিটি অফ এডুকেশনের
থেকে অনেক বেশি। এই দুইটা কারণে আমি ইউকে আগায় রাখি। বাট সিটিজেনশিপের ঝামেলাটা
যদি ইউকে না থাকতো বা সিটিজেনশিপের রুলের যদি এত পরিবর্তন না হইতো ইউকেতে তাহলে
আমি ইউকে একদম ক্লিয়ারলি বলতে পারতাম যে হ্যাঁ আপনি আয়ারল্যান্ড কেন ভাবতেছেন
আপনারা অবশ্যই
ইউকে ভাবা উচিত। অত হার্ডলি আমি এটা বলতে পারি না। কারণ ওদের ইমিগ্রেশন এন্ড
সিটিজেনশিপ রুল কিছুদিন পর পর বদলায় যায়। সো এই বদলায় যাওয়া সামনে কি বদলাবে না
বদলাবে এটা যেহেতু আমরা জানি না। সো এই কারণে অত স্ট্রংলি রেকমেন্ড করা যাচ্ছে
না। না হলে আমি ইজিলি বলতাম যে, হ্যা, ওখানে যাওয়া পড়তে। বাট আমার ক্লোজ
ভাই-বোন যারা আছে তারা যখন আমাকে মানে আমার পার্সোনাল ফ্যামিলি মেম্বারস যখন
আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি সবাইকে বলি যে হ্যাঁ তুমি ভালো স্টুডেন্ট তুমি ইউকে যাও
আমি সিওর তুমি তোমার ভালো হবে শুধুমাত্র কেউ যদি আইটি সিনিয়র হয় তাইলে তাদের
আমি বলি যে
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব শর্টস ভিডিও কিভাবে ভাইরাল করবেন
ঠিক আছে আইল্যান্ডে আসো এই এ হল আমার মতামত ডু ইওর ওন রিসার্চ কারো কথা শোনার
দরকার নাই স্পেশালি এডভাইস যখন নিবেন তখন চেষ্টা করবেন এমন মানুষের [গলা
পরিষ্কার করা] কাছ থেকে এডভাইস নিতে যারা ভালোই জিনিসটা না একটু ব্যাখ্যা করাটা
কন্ট্রোভার্শিয়াল এই কারণে কেউ এসব জিনিস ব্যাখ্যা করে না আপনি দেখবেন অনেকেই
আপনাকে বলবে যে হ্যাঁ ইউকেতে আইসা লাইফ আমার ভালো হয় নাই। আবার আপনি দেখবেন
অনেকে আপনাকে বলবে আয়ারল্যান্ডে আইসা লাইফ আমার ভালো হয় নাই। এই মতামতগুলা
যারা দিচ্ছেন তারা অনেকেই আসলে ট্যালেন্টেড মানুষ না।
এটা খারাপ। ট্যালেন্ট মানুষ না ব্যাপারটা এরকম না। এরা অনেকেই হার্ডওয়ার্ক
এনাফ করেন নাই। এবং এই কারণেই এদের সাথে যেরকম হওয়া উচিত ছিল ওরকম হয় নাই।
তার মানে এই না যে আপনারও খারাপ হবে। এই মানুষগুলা যারা এই ধরনের কথা বলে যে
ইউকেতে আইসেন না কারণ খারাপ। আয়ারল্যান্ড আইসেন না কারণ খারাপ বা তমক দেশে
আইসেন না কারণ খারাপ এরা যদি এসব দেশে না থেকে বাংলাদেশে থাকতো তাও ওরা সেম
কথাই বলতো যে বাংলাদেশের অবস্থা খারাপ কারণ হার্ডওয়ার্ক সব দেশেই করা লাগে এবং
আনফরচুনেটলি হার্ডওয়ার্ক অনেক করার পরেও হয় না অনেক দেশে বাট ওই
ক্ষেত্রে সবসময় দেশের ফল্ট এরকম হয় না ব্যাপারটা নিজের অনেক সময় ফল্ট থাকে
নিজেকে যেভাবে গড়ে তোলার দরকার ছিল নিজের যা যা করার দরকার ছিল ওটা অনেকে করেন
অনেক সময় এবং এই কারণে তারা অনেকে সাফার করে আপনি যদি ওই জিনিস না করেন তাহলে
আপনি আপনার বেস্ট শটটা দিতে পারবেন যে দেশে আপনি সিলেক্ট করেন এবং সবসময় মনে
রাখবেন যে পুরাটা একচুয়ালি আপনার হাতে নাই কখন যুদ্ধ যুদ্ধ শুরু হবে কখন এআই
এসে জব মার্কেট নষ্ট করে দিবে কখন কি হবে না হবে কখন কোভিড আসবে এগুলো আপনার
কন্ট্রোলে নাই সো আপনার কন্ট্রোলে যা যা আছে ওগুলার উপরে
এনালাইসিস করে আপনি ডিসিশন নেওয়ার চেষ্টা করেন বাকিটা দেখা যাক কি হয় সো ভালো
থাকেন সবাই সবার সাথে আমার দেখা হবে পরের কোন ব্লগে।

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url