আপনি-কি-এই-দুনিয়ার-জন্য-প্রস্তুত?
2019 সালে আমি একটা বই লিখছিলাম যে বইয়ের নাম ছিল এখান থেকে শুরু এবং ওই বইটা
আমি এখন আর পড়তে রেকমেন্ড করি না কারণ বইয়ের ভিতরে যা যা বলা হয়েছে তার
বেশিরভাগ ইনফরমেশনই এখন আউটডেটেড এবং কাজ করে না বাট ওই বইয়ের ভিতরে আমি
একচুয়ালি আজকে থেকে প্রায় 10 বছর আট বছরের আগে আমি বলছিলাম যে পডকাস্ট অনেক বড়
একটা ব্যাপার হইতে যাচ্ছে হয়েছে বলছিলাম ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা
ইন্ডাস্ট্রি হবে হয়েছে এবং বইয়ের ভিতরে আরো অনেক কিছু নিয়ে আমরা কথাবার্তা
বলছিলাম যে অনেক কিছু একচুয়ালি মিলেছে পরে যে তার আগেও বিভিন্ন সময়ে আমি
ইন্টারনেট
অন্ট্রপ্রেনরশিপ রেভুলেশন নিয়ে সেই 2013 14 15 সালে একটু একটা কথাবার্তা বলেছি
যে অনেক কিছু একচুয়ালি হইছে অনেক কিছু অনেক কন্ট্রোভার্সিয়াল ছিল। লাইক ফর
এক্সাম্পল এসএস ওর এফিলিয়েট মার্কেটিং বা ড্রপশিপিং আর করে না বা বাংলাদেশের
ট্রেডিশনাল মডেলের এফ কমার্স লং টার্মে সাস্টেনেবল এরকম অনেক কিছুই বলা হয়েছে
বিভিন্ন সময় যার বেশিরভাগই মিলছে বেশিরভাগ অনেক সময় ডিবেটও সৃষ্টি করছে। আজকে
আমি আপনাদের সাথে 21 টা প্রেডিকশন করব এবং দেখা যাক ভবিষ্যতে 21 টা প্রেডিকশনের
কয়টা মিলে। চলেন শুরু করা যাক। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলছে
2050 সালের মধ্যে বাংলাদেশে 13 থেকে 30 মিলিয়ন মানুষ ডিসপ্লেস হবে ক্লাইমেট
চেঞ্জের কারণে। বেশিরভাগ মানুষ যারা ক্লাইমেট চেঞ্জের কারণে ডিসপ্লেস হবে তারা
হবে হল নদী বা সাগরের পাশের মানুষজন এবং এই মানুষগুলো যখন ডিসপ্লেস হবে ডিসপ্লেস
হওয়া মানে হলো তার ঘর ভেঙে গেছে বা তার এলাকা নষ্ট হয়ে গেছে অথবা তার এলাকায়
এমন কিছু ছিল যেইটা আগে অনেক সলিড ছিল সো ধরেন ওদের এলাকায় আগে অনেক মরিচ
প্রডিউস হইতো ওদের এলাকায় আগে অনেক আম প্রডিউস হইতো বাট ক্লাইমেট চেঞ্জের কারণে
ওই এলাকার ক্লাইমেট এত বদলায় গেছে অনেক পানি আসে এখন বা ওইরকম মাটি আর নাই যেরকম
মাটি
থাকার ছিল পলিমাটি নষ্ট হয়ে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি যে কারণে ওই এলাকায় এখন আর ওই
ইকোনমির জন্য পারফেক্ট নাই এবং ওই মানুষগুলো মুভ করবে। 2050 সালের মধ্যে এই
বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম টাইপ জায়গায়
মুভ করে ফেলবে। যার মানে হলো ঢাকা এমন একটা মেগা সিটি হবে যেই সিটিটা একচুয়ালি
সম্ভব না হওয়া থিওরিটিক্যালি এবং এই কারণেই 2050 সালের আগেই ঢাকা পৃথিবীর
সবচেয়ে আনলিভেবল সিটিগুলোর একটা হয়ে যাবে। সেকেন্ড প্রেডিকশন বাংলাদেশে 2040
সালে আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড পাওয়ার বেনিফিটটা বন্ধ হয়ে যাবে।
ডেমোগ্রাফিক ভিডেন্ড মানে হল গিয়ে যখন একটা দেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ
কর্মঠ মানুষ হয়। এবং বাংলাদেশ এখনো ওই বেনিফিটটা পাচ্ছে। গত 10-15 বছর ধরেই
পাচ্ছে। 2040 সালে যে এই বেনিফিটটা শেষ হয়ে যাবে এবং তখন যখন আমরা আদব সুমারি
করবো দেখা যাবে যে আমাদের বেশিরভাগ পপুলেশন এজিং পপুলেশন আমার অনেক বয়স হয়ে
যাবে। আপনার হয়তো তখন অনেক বয়স হয়ে যাবে। আমরা আর আমাদের তরুণ বয়সে নাই। এবং
যখনই এজিং পপুলেশন ব্যাপারটা সামনে আসে তখন ইকোনমিতে অনেকগুলো প্রবলেম হয়।
সবচেয়ে বড় প্রবলেম হলো এই এজিং পপুলেশনকে সাপোর্ট করার মত ফাইনান্সিয়ালি
বলেন ইমোশনালি বলেন যে লেটার ক্লাসটার দরকার সেই লেটার ক্লাসটা তখন আমাদের থাকবে
না এর পরের ক্লাসটা থাকবে না যেই কারণে বিশাল এজিং পপুলেশন অনেক বড় ঝামেলায়
পড়বে সেম ঝামেলা জাপানেও হয়েছিল বাট জাপানের মানুষ যেহেতু বড় লোক ছিল এই কারণে
এটা ওদের ওভাবে এফেক্ট করতে পারে নাই ইমোশনালি অনেক এফেক্ট করছে জাপানে মানুষ
ভাড়া নেয়া হয়েছে ও সময় যেন মানুষের সাথে কথা বলা যায় ওইটাই ব্যাপার হয়েছে
বাট ফাইনান্সিয়ালি তেমন কোন ঝামেলা হয় নাই জাপানে যেটা বাংলাদেশে হবে তিন
নাম্বার রেমিটেন্স বাংলাদেশের এই মুহূর্তে 21 বিলিয়ন ডলার প্রত্যেক বছর
আসে রেমিটেন্স হিসেবে এবং প্রাইমারিলি এই রেমিটেন্স আসে গাল্ফ কান্ট্রিগুলা থেকে।
আমরা জানি ভবিষ্যতে এমন একটা জায়গায় যাচ্ছে যুদ্ধ আপনি বাদ দেন যুদ্ধ মনে করেন
হবে না বাট তারপরেও ভবিষ্যতে এমন একটা জায়গায় যাচ্ছে সৌদি আরবিয়া ভিশন 20
বানাইছে দুবাই টুবাই আমরা জানি টুরিজমে অনেক ফোকাস করছে ইত্যাদি। ভবিষ্যতে আমাদের
এত পরিমাণ রেমিটেন্স আসা সম্ভব না। কারণ এত পরিমাণ লেবার বা ওয়ার্ক ফোর্স এই
গালফ কান্ট্রিগুলার দরকার হবে না। দুইটা কারণে। এক নাম্বার কারণ ওরা যা বানানোর
তা বানায় ফেলছে। দুই নাম্বার কারণ অটোমেশনের কারণে
ওদের এই পরিমাণ মানুষ আর প্রয়োজন হবে না বিভিন্ন জিনিস বানাতে। যত লো স্কিল
মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার আপনারা দেখতেছেন এর 50 থেকে 75% কেউ কেউ প্রেডিক্ট করে
রিপ্লেস হয়ে যাবে অটোমেশন দিয়ে। এআই না কিন্তু জাস্ট অটোমেশন মেশিনের সাহায্যে।
এইটার সাথে লেজ ধরে আমি আপনাদের আরেকটা প্রেডিকশন বলি। আমাদের চার নাম্বার
প্রেডিকশন সেটা হলো বাংলাদেশে এই মুহূর্তে গার্মেন্টস শিল্পে 4 মিলিয়ন 40 লাখ
মানুষ জড়িত। বেশিরভাগই মহিলা। যেটা হবে সেটা হলো অটোমেশনের কারণে এই
গার্মেন্টসের বেশিরভাগ কাজগুলা করতে এত পরিমাণ মানুষের প্রয়োজন হবে না। সবাই
বলতেছে 10 থেকে 15
বছরের একটা লাইফ স্প্যান আছে আমাদের। যার পরে এই গার্মেন্টস শিল্প আর টিকে থাকতে
পারবে না। কারণ এই যে যে এডভান্টেজটা আমাদের চিপ হিউম্যান লেবার। এই চিপ হিউম্যান
লেবারের এডভান্টেজটা একচুয়ালি লং টার্মে সাস্টেইন করার মত একটা এডভান্টেজ না।
এটা কেন খারাপ? দুই কারণে খারাপ। এক নাম্বার খারাপ হলো 40 লাখ মানুষ জবলেস হয়ে
যাবে। যেটা একটা বড় খারাপ ব্যাপার। আর সেকেন্ড খারাপ হলো বাংলাদেশের ফরেন
ইনকামের 80 থেকে 85% কিন্তু একচুয়ালি আসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে যেটা আস্তে আস্তে
বন্ধ হয়ে যাবে। আপনারা হয়তো দেখছেন বিভিন্ন সময়ে খবরে আসছে যে ঢাকা আগামী 10
বছর পরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মেগা সিটি হবে। তার কারণ ঢাকার ম্যাপকে বড় করে
নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ইত্যাদি সব ইনক্লুড করে ঢাকাকে বড় করার অনেক পরিকল্পনা
চলতেছে। যতই বড় করা হোক। একটু আগে আমরা কথা বললাম যে ডিসপ্লেসড মানুষজন ঢাকায়
চলে আসবে। একই সাথে ঢাকার জানজট যদি আপনি দেখেন এক কিউআই যদি দেখেন আপনার ঢাকার
এয়ার কোয়ালিটি যদি দেখেন সব মেট্রিক মিলালে বোঝা যাচ্ছে ঢাকা বসবাসযোগ্য শহর আর
থাকবে না এবং যেকোন যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার সাথে ঢাকা কম্পেবল হয়ে যাবে আপনি গাজা
বলেন ফিলিস্তিনের বা ইরানের তেহরান বলেন এখন যে অবস্থা ঢাকা কোন যুদ্ধ না
হয়েই সেম কন্ডিশনে চলে আসবে আগামী 20 30 বছরের মধ্যে ছয় নম্বর প্রেডিকশন 2001
সালে ইউএস ডলারের গ্লোবাল পাওয়ার ছিল 71 বা 73% আজকের দিনে এসে এই পেট্রো ডলারের
পাওয়ার চলে আসছে 58% যার মানে হলো পেট্রো ডলার আস্তে আস্তে মানুষ রিপ্লেস করা
শুরু করছে এবং ইউএস ডলারকে যে গ্লোবাল কারেন্সি বলা হতো আমার আপনার জীবদ্দশায়
আমরা দেখে যাব এটা মোটামুটি বোঝা যাচ্ছে যে ইউএস ডলারের গ্লোবাল কারেন্সি থাকবে
না আমরা জানি যে ব্রিক্স নেশনরা নিজেদের মত করে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করা শুরু করছে
আমরা জানি যে ইও ওয়ান অনেক ইউজ করা শুরু
হয়েছে রুবেল অনেক ইউজ করা শুরু হয়েছে এবং এই ব্যাপারটা হঠাৎ করেই হয় ব্রিটিশ
এম্পায়ার অনেক পাওয়ারফুল এম্পায়ার ছিল বলা হইতো যে ব্রিটিশ এম্পায়ারে কখনো
সূর্য ডুবে না এই ব্রিটিশ এম্পায়ার সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের মাত্র সাত আট 10
বছরের আশপাশের মধ্যে ওর কারেন্সি রিজার্ভ কারেন্সি থেকে নাই হয়ে গেছে এবং ডলার
দিয়ে রিপ্লেস হয়ে গেছে। আপনি আমি দেখে যাব ডলারের পতন। এটা আপনি লিখে রাখতে
পারেন। সাত নম্বর প্রেডিকশন ট্রেডিশনাল ব্যাংকিং আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে
যাচ্ছে। আমরা জানি যে বিকাশ এখন ব্যাংক না কিন্তু এমএফএস মোবাইল ফাইনান্সিয়াল
আরো পড়ূনঃ ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন পলিসি ২০২৬
সার্ভিস কিন্তু বিকাশ এমএফএস হয়েও ব্যাংকের সমান এবং বেশিরভাগ ব্যাংকের থেকে
বেশি ট্রানজেকশন করে। বেশিরভাগ মানুষ স্পেশালি কম অ্যামাউন্টের ট্রানজেকশন এর
জন্য বিকাশ টাইপ সলিউশনে বেশি অভ্যস্ত কম্পেয়ার টু ট্রেডিশনাল ব্যাংকিং। এবং এটা
মেক সেন্স করে। আমরা সবাই জানি হিউম্যান বিইং এমন একটা প্রজাতি যেটা সবচেয়ে সহজ।
যেটা সবচেয়ে কনভিনিয়েন্ট ইভেনচুয়ালি তারা ওইটাই করবে এবং বিকাশ ওই জিনিসটা সহজ
করে দিছে। সো মানুষ কেন ব্যাংকে যাবে বা ব্যাংকের অ্যাপ ইউজ করবে যখন বিকাশ ইউজ
করা এত সহজ। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যতগুলা ব্যাংক আছে তার হাফের
বেশি ব্যাংক আমার ধারণা আগামী 50 বছর পরে আর থাকবে না। এত ব্যাংক দরকার হবে না।
আরো ডিজিটাল ব্যাংক আসবে এবং পুরা ব্যাংকিং সেবাটা অ্যাপ নির্ভর হয়ে যাবে।
যেখানে একটা ব্যাংক আগে 500 ব্রাঞ্চ বানাইতো। এখন একটা ব্যাংকের হয়তো কোন
ব্রাঞ্চই থাকবে না। বা হায়েস্ট দুই তিনটা ব্রাঞ্চ থাকবে এবং দ্যাটস ইট। আর কোন
কিছু লাগবে না ওই ব্যাংকের। আট নাম্বার প্রেডিকশন এটা নিয়ে আমার একটা বিস্তারিত
ভিডিওই আছে যে এখন যে জেনারেশন জন্মাইছে যেটাকে আমরা বলি জেনজি যারা এখন আস্তে
আস্তে বড় হওয়া শুরু করছে এই জেনজি জেনারেশন বেশিরভাগ সময় ঢাকায়
বাড়ি কিনতে পারবে না কোনদিন আনলেস তার বাবা মা অনেক বড়লোক বা সে ইনহেরিট করে
তার বাবা মা কিনছিল বা নানা কিনছিল সেখান থেকে সে পাইছে যদি আমরা বাদ দেই তারা
যতই আয় করুক সে আয় করুক তার ওয়াইফ আয় করুক বাংলাদেশের ট্রেডিশনাল যে জব
মার্কেট সেই জব মার্কেটে সে যদি এক লাখ টাকা বেতন পায় দুইজন মিলে তার পক্ষে
বাংলাদেশের প্রমিনেন্ট এলাকাগুলায় বাড়ি কেনা সম্ভব হবে না কেন হবে এটা নিয়ে
বিস্তারিত একটা ভিডিও আছে আমার এ কারণে এখন আর বলতেছি না নেক্সট প্রেডিকশন
বাংলাদেশের মানুষজন একসময় খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে যে
ফিক্স ডিপোজিট করা সঞ্চয়পত্র করা সেভিংস একাউন্ট খোলা এগুলা কত বড় বড় ধোঁকা
এবং এগুলার কোনটাই যে একচুয়ালি তার সম্পদ বাড়ায় নাই উল্টা তার সম্পদ কমাইছে এই
ফাইনান্সিয়াল লিটারিসটা আসতে আমার ধারণা আরো 10 থেকে 15 বছর লাগবে ওকে 10
নাম্বার প্রেডিকশন গ্লোবাল প্রেডিকশন সেটা হলো গোল্ড মম্যানস এক্স রিসেন্টলি বলছে
এবং মোটামুটি সবাই যত রিসার্চ ফার্ম আছে সবাই ঘুরায় ফিরে একই কথা বলছে যে 2030
এর মধ্যে সো খুব বেশিদিন দূরে এমন না। হাফ অফ ট্রেডিশনাল জবস ডিস্টার্ব হবে এআই
এর কারণে এবং এর মধ্যে বেশিরভাগই হোয়াইট কলার
জব। আপনি যদি এমন একটা চাকরি করে থাকেন যেই চাকরিতে আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করে
সলিউশন বানাইতে হয় সেই ক্ষেত্রে আপনার জব হুমকির মুখে এবং আপনি প্রবাবলি রিপ্লেস
হয়ে যাবেন। 11 নাম্বার এটা রিলেটেড একটা প্রেডিকশন সেটা হলো এখন হাফ লাইফ ধরা হয়
একটা স্কিলের পাঁচ বছর। মানে হলো আপনি যদি কোন একটা কিছু শিখেন ধরে নেওয়া হয় অন
এভারেজ। আপনার ওই শেখাটার ভ্যালু পাঁচ বছর এটলিস্ট থাকবে। এই হাফ লাইফটা খুব
তাড়াতাড়ি কমতেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে যে এই হাফ লাইফটা আগামী এক দুই বছরের
মধ্যে কমে দুই থেকে তিন বছরে নেমে আসবে। দুই
থেকে তিন বছরে যখন নেমে আসবে এই জিনিসটা তার মানে হলো আপনি যখন ডিগ্রি শুরু করবেন
ব্যাচেলর প্রথম বছরে আপনি যে জিনিসটা করেন ব্যাচেলর শেষ হতে চার বছর লাগে। তিন
নাম্বার বছরে আসতে আসতে আপনি রিয়েলাইজ করবেন প্রথম বছরে আপনি যে ব্যাচেলরের
জয়েন করছিলেন ওই ডিগ্রির এখন আর কোন ভ্যালু নাই। এখন এটা হইতে পাঁচ ছয় সাত বছর
লাগে। যেই কারণে পড়া শেষ করা পর্যন্ত একটা স্টুডেন্ট টের পায় না। যে সে যেটা
পড়তেছে এটার আসলে কোন ভ্যালু নাই। তারপরে তিন চার পাঁচ বছর লাগে কাজকর্ম শুরু।
ইভেন য দেখে যে হ্যা আমি যা পড়ছিলাম তার কোন
কিছুই তো আমি ইউজ করি না বাট ওই ব্যাপারটা এখন ইউনিভার্সিটিতে থাকতে থাকতেই আপনার
সাথে হওয়া শুরু হবে আই থিংক পারসোনালি 12 নাম্বার প্রেডিকশন এটা 9ট ওয়ার্ক কালচার
যেটা যেটা খুব পুরানো কালচার না মাত্র গত 200 বছর হইছে এই কালচারটা আসছে 200 বছর
100 বছরের আশপাশে হইছে 95 কালচারটা আসছে এই কালচারটা আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাবে
এবং জেনজি জেনা আলফা বেটা হাফিজাবি যা আছে ওরা আস্তে আস্তে আবার যেটা আমরা অলরেডি
হওয়া শুরু হতে দেখছি যে অনেকগুলা গিগ ওয়ার্ক একই সাথে দুইটা তিনটা প্রজেক্টে কাজ
করা বা দুইটা তিনটা পার্টটাইম রোলে কাজ করা
ফ্রিল্যান্স কাজ করা একই সাথে 30 টা ক্লায়েন্টের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করা
স্কিল বেসড কাজকর্ম করা ওই টাইপ জিনিস আস্তে আস্তে ব্রিং ব্যাক করবে এবং একটা
জায়গায় আমি যাব আট ঘন্টা বসে থাকব ওই একটা কোম্পানির জন্য আমার জীবন দিয়ে দিব
এই প্রেডিকশনটা খুব বেশিদিন থাকবে না এখন একটা কাউন্টার ইনটুটিভ প্রেডিকশন আমি
আপনাদের করি জব চলে যাচ্ছে এজ খা ফেলতেছে এই হচ্ছে হচ্ছে সব ঠিক আছে এট দা সেম
টাইম বাংলাদেশের এমপ্লয়াররা একই সাথে গ্লোবাল এমপ্লয়াররাও চাকরি দেওয়ার মত
স্কিলড মানুষ খুঁজে পাবে না মেইন কারণটা হলো এমপ্লয়াররা যা চায় তা ওই ছেলে বা
ওই
মেয়ে শিখা আসে না ইউনিভার্সিটি থেকে বা নিজে নিজেও। যে কারণে এই মিসম্যাচটা আরো
বড় হবে। মিসম্যাচ অলরেডি আছে বাট মিসম্যাচ আরো বড় হবে। এনিথিং দ্যাট এ মিডল
ম্যানেজার ডাজ উইল বি এলিমিনেটেড ইন দ্যা নেক্সট ফাইভ টু সেভেন ইয়ার্স। এটা আমি
খুব স্ট্রং অপিনিয়নের সহিত বিশ্বাস করে বলিতেছি। তার কারণ মিডেল ম্যানেজার
বেসিক্যালি একটা নো স্কিল পারসন। যার মেইন স্কিলটাই হইলো অমুক এটা বলছে। আমি ওটা
বুইঝা এখন আরেকজনরে বলতেছি। বা অমুক এটা করতে দিছে। আমি এটা আরেকটু গুছায়া
আরেকজনের করতে দিচ্ছি। এইযে মিডল ম্যানেজারটা এর থাকা উচিতই ছিল না ইন দা
ফার্স্ট প্লেস বাট যেহেতু সে এখন আছে এসে এখন তাকে আস্তে আস্তে রিপ্লেস করে দিবে
এ ব্যাপারটা একটু হাইলাইট আমি এই কারণে করতেছি কারণ বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ
একচুয়ালি মিডল ম্যানেজারই তারা কোন কিছু বানায় না সরাসরি তাদের কোন হার্ড স্কিলও
নাই সরাসরি তারা মেইনলি ম্যানেজ করে বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং এত ম্যানেজ করার
ক্যাপাবিলিটি ওয়ালা মানুষজন আসলে আমাদের লাগবে না এনি ক্রিয়েটিভ জব রাইটিং
ডিজাইন এডিটিং থিংকিং রিসার্চ এনি ক্রিয়েটিভ জব বেসিক্যালি বা সিনেমা বানানো
নাটক বানানো যাই হোক লবি হেভিলি ডিসরাপটেড এবং ওই জবটা
মানে ডিরেক্টরের জবটা যাবে না ডিরেক্টরকে যারা সহায়তা করত তাদের জবটা যাবে আগে
15 জনের একটা রাইটিং রুম লাগতো এখন একজনের বা দুইজনের লাগে কারণ এআই দিয়ে অনেক
হেল্প হয় একই জিনিস এ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে সত্য ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে সত্য
ডিজাইনের ক্ষেত্রে এনি ক্রিয়েটিভ ফিল্ড আর্ট হাবিজাবি যা যা আছে সবকিছুর জন্য
এটা সত্য আপনি কি জানেন বাংলাদেশে 20 কোটি মানুষ এই 20 কোটি মানুষকে সার্ভিস
দেওয়ার জন্য 300 সাইকিয়াট্রিস্ট আছে এবং মেন্টাল হেলথ যে এত বড় একটা সমস্যা
এটা বাংলাদেশে তেমন কেউ জানে না জানলেও খুব একটা কেয়ার করে
না এবং আমার ধারণা এটাও একটা প্রেডিকশন যে আগামী 20 বছরের মধ্যে মেন্টাল হেলথ
অনেক সিরিয়াস একটা ব্যাপার হবে বাংলাদেশে স্পেশালি যখন বাজে একটা জায়গার মধ্যে
আমরা থাকতেছি ওই ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে আরো হিট করা শুরু করবে আশপাশের কালচার
যখন আমাদের সাথে অনেক বেশি ক্ল্যাশ করা শুরু করবে আমরা যখন দেখব এ ইন্ডেক্স খারাপ
হয়ে যাচ্ছে ডিসপারিটি বিটুইন পোর এন্ড রিচ অনেক বাড়তেছে ও ব্যাপারগুলো যখন
আস্তে আস্তে হওয়া শুরু করে তখন আনহ্যাপিনেস মেন্টাল সুইসাইড এই টাইপ জিনিস
আনফরচুনেটলি শুরু করে ওই জিনিস আমরা হওয়া শুরু হতে দেখবো বাংলাদেশে। তার কারণ
বাংলাদেশে এনাফ সাইকিট্রিস বা মেন্টাল হেলথ সাপোর্টের কালচারটা নাই। যেটা
অন্যান্য অনেক দেশে আছে। আপনি জানেন নাকি জানিনা। এভারেজ এজ অফ ম্যারিজ ইন
বাংলাদেশ ইজ রাইজিং। পাঁচ থেকে সাত বছর বাড়ছে। আপনি আপনার বাবা-মা যেই বয়সে
বিয়ে করেছে এটার সাথে আপনি যদি বিয়ে করে থাকেন আপনার এজ কম্পেয়ার করেন। আমি
সিওর পাঁচ থেকে সাত বছরের ডিফারেন্স আপনি পাবেন। পরের জেনারেশন তারা যখন বিয়ে
করবে তাদের সাথে তার প্রিভিয়াস জেনারেশনের আপনি দেখবেন পাঁচ থেকে সাত বছরের
ডিফারেন্স। এবং একটা সময় 30 এর আগে বিয়ে না করাটা ছিল এনরমালি মানে সবাই 30 এর
আগে বিয়ে করত
এখন খুবই নরমাল এবং যতদিন যাচ্ছে এটা বাড়তেছে যেই কারণে এগ ফ্রিজিং বলেন বা এই
টাইপ জিনিসপত্র যত আছে ওই ইন্ডাস্ট্রিগুলা এই কারণে গ্রো করতেছে কারণ সবাই ডিলে
করতেছে বিয়ে করতে ডিলে করতেছে বাচ্চা নিতে ইত্যাদি ক্যারিয়ারে ফোকাস করতেছে এই
টাইপ জিনিসপত্র এই জিনিস কেন বলা জরুরি প্রেডিকশনটা কই প্রেডিকশনটা হলো যখন এইটা
হয় একটা ইকোনমির একটা সাইকেল থাকে ওই সাইকেলে যখন আমরা একটু ডিলে শুরু করি তখন
ওই ডিলেটার কারণে অনেকগুলা বাই প্রোডাক্ট রিলেটেড প্রবলেম সৃষ্টি হয় তার যখন
বাচ্চা হয় সেই বাচ্চা বড় হওয়ার আগে সে
বয়স্ক হয়ে যায়। সাপোর্টের মেকানিজমটা ঠিকমত কাজ করে এবং সোসাইটি বেসিক্যালি
ডিসফাংশন করা শুরু করে। ওই ব্যাপারটা আমাদের বাংলাদেশে কখনো হয় নাই। বাট আগামী
50 বছর ব্যাপারটা হবে বলে আমার মনে হয়। আই থিংক এখন যে বাচ্চাটা স্কুলে পড়তেছে
ওর জীবদ্দশায় 12 থেকে 15 টা চাকরি করবে ফুল টাইম। যেইটা ওর বাবা-মার জন্য
প্রবাবলি ছিল দুই থেকে তিনটা এবং ওর দাদা নানার জন্য ছিল প্রবাবলি একটা। একটা
কোম্পানিতে আমি জয়েন করব। সারাজীবন কোম্পানিতে আমি কাজ করব। এই কালচার শেষ। 19
নাম্বার প্রেডিকশন হলো আই থিংক এআই কম্পানিয়নশিপ উইল বি মেইনস্ট্রিম ইভেন ইন
বাংলাদেশ। আপনারা অনেকেই হয়তো ক্যারেক্টার. এআই এই টাইপ টুল ইউজ করছেন যেখানে
আপনি কম্পানিয়ন বানাতে পারেন। বয়ফ্রেন্ড বানাইতে পারেন, গার্লফ্রেন্ড বানাইতে
পারেন। এবং তারপর তাদের সাথে আপনি সারাদিন চ্যাট করতে পারেন। যে এই দুনিয়ার বাইরে
আপনারা যারা ভিডিও দেখতেছেন তারা বেশিরভাগই হয়তো এই দুনিয়ার বাইরে। তাদের মনে হবে
ধুর এই ছাগলের মত জিনিস কে। বাট ইটস ভেরি মেইনস্ট্রিম। নাও। এটা হচ্ছে এবং যতই
দিন যাচ্ছে এটা পাগলের মত বাড়তেছে আরো বেশি মানুষ এই জিনিস করতেছে এবং এটা খুবই
মেইনস্ট্রিম একটা ব্যাপার হয়ে যাবে খুব একটা আমি অবাক হবো না যখন যদি আমি
দেখি আগামী 10 বছর পরে কাউকে কথা বলতে স্যার ফোনে এবং আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করব
কার সাথে কথা বলি সে বলতেছে ও আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতেছি এটা আমার
গার্লফ্রেন্ড এবং আমি যখন দেখব যে এটা পুরোপুরি এআই অবাক হওয়ার মত ঘটনা হবে না
এটা 20 নাম্বার প্রেডিকশন এরকম অনেক স্কিল আছে যেগুলাকে আমরা আজকে স্কিল বলি তার
কারণ ওই স্কিলগুলা আসলে স্কিল না কিন্তু ওগুলা আমাদের কাছে স্কিল হইছে কারণ
অন্যান্য মানুষের কাছে ওই আপব্রিঙ্গিংটা ছিল না। সবচেয়ে অভিয়াস উদাহরণ হলো
ইংলিশের উদাহরণ। আমরা যারা ইংরেজি বলতে পারে এটাকে আমরা একটা স্কিল ধরি বাংলাদেশে
যে ও ইংরেজি বলতে পারে ভালো। এটা একটা স্কিল। বাট ব্রিটেনে সবাই ইংরেজি বলতে
পারে। আমেরিকায় সবাই ইংরেজি বলতে পারে। আয়ারল্যান্ডে সবাই ইংরেজি বলতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ায় সবাই ইংরেজি বলতে পারে। ইংরেজি বলতে পারাটা ওইখানে একটা স্কিল না।
সেম লজিক বাংলা বলতে পারাটা যেরকম বাংলাদেশে একটা অত জনপ্রিয় স্কিল না। এই
ব্যাপারটা। এই যে ডিসপারিটি বিকজ আপিঙ্গিং এর কারণে কেউ এই অ্যাডভান্টেজটা পাইছে
কেউ পায় নাই। এ ব্যাপারটা এআই আর রাখবে না। এআই এর কারণে আপনি কোন ল্যাঙ্গুয়েজে
কথা বলেন তাতে কিছু যায় আসবে না। এবং এই টাইপ
জিনিসপত্র এরকম ডিসপ্যারিটি বেস স্কিল যেগুলো আছে ওগুলাকে আমরা আর স্কিল বলবো না
সামনে। লাস্ট প্রেডিকশন গভর্মেন্ট এন্ড অল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সাধারণ
মানুষ লবি ইন সিরিয়াস ট্রাবল। কারণ কি যে আসল কি যে এআই কি যে ডিপ ফেক, কি যে আসল
ভয়েস, কি যে ফেক ডক্টরড ভয়েস এই ব্লার গুলা এত সিরিয়াস ব্লার হবে আপনারা অনেকেই
অলরেডি সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন নিউজ দেখেন এই নিউজ সত্যি নাকি মিথ্যা আমরা এখন আর
বুঝি না। এই জিনিসকে এই লোক আসলেই বলছে নাকি বলে নাই আমরা এখন আর বুঝি না। কোন
কিছু ইমেজ যখন আমরা দেখি কোন ভিডিও যখন আমরা দেখি
কোন অডিও যখন আমরা শুনি এটা কি আসল নাকি এটা মিথ্যা এটা আমরা বুঝি না। এই জিনিস
অবিশ্বাস্য রকম রিয়েল হয়ে যাবে। যে কারণে আমরা আলাদাাই করতে পারবো না কোনটা আসল
কোনটা ফেক এবং এটা আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে হবে। এইতো এই ছিল আমার 21টা
প্রেডিকশন। আমাকে আপনারা কমেন্টে জানান। আপনার প্রেডিকশন কি? একটা প্রেডিকশন
আমাকে বলেন যেটা আপনার ধারণা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে হবে।

ডিজিটাল ক্লিক আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url